সংস্কারের তিনমাসের মাথায় রাস্তায় লাখো গর্ত

প্রান্তোষ চন্দ্র দে ( হালুয়াঘাট ) ময়মনসিংহ ঃ সংস্কারের তিনমাসের মাথায় হালুয়াঘাট-ফুলপুর মহাসড়কের রাস্তা পিচ উঠে গিয়ে লাখো গর্তে পরিনত হয়েছে। নিন্ম মানের কাজ করায় রাস্তাটি সাবেক অবস্থায় ফিরে এসে জনগণের ভোগান্তিআরও বাড়িয়ে তুলেছে। ভেঙ্গে পড়েছে ফের আবার। গাড়িগুলো চলছে লক্কড়-ঝক্কর করে। মনে হয় এ বুঝি গাড়িটি উল্টে গেল। হালুয়াঘাটের প্রাণকেন্দ্র পুরাতন বাস স্ট্যান্ডের নিরাপদ ডায়াগনোষ্টিক থেকে শুরু এই গর্তের প্রদর্শণী। এখান থেকে নাগলা বাজার পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার রাস্তার এমন বেহাল দশা। খানাখন্দে ভরা। কোথাও কোথাও ইটের সুরকি আর বালু দিয়ে গর্ত ভরাট করলেও আবার বৃষ্টি হলেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রাস্তার অর্ধেকের বেশি অংশের পিচ, ইট, পাথরের খোয়া উঠে গেছে। একটু বৃষ্টি হলেই বীভৎস অবস্থার সৃষ্টি হয় রাস্তাজুড়ে। তখন সড়কটি যেন মৃত্যুফাঁদ হয়ে উঠে। রাস্তায় কাদা জমে হাঁটুপানি হয়ে যায়। মাঝে মাঝে ট্রাকের চাকা ডুবে বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। ভারি মালবাহী যানবাহন দূরের কথা, রিক্সা আর সিএনজি চালাতেও অনুপযোগী । এলাকাবাসী, পথচারী ও যানবাহন চালকরা জানান, কয়েকটি দুরপাল্লার যানবাহনের স্ট্যান্ড ছাড়াও প্রচুরসংখ্যক ব্যক্তিগত গাড়ি যাতায়াত করে এই সড়কে। এছাড়া শিল্পকারখানার হাজার হাজার মালবাহী যানবাহন প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, হালুয়াঘাট পৌরসভার পুরাতন বাস স্ট্যান্ড, গাঙ্গিনারপার, দরিনগুয়া, ধারাবাজার, টিকুরিয়া, নাগলা বাজার প্রভৃতি স্থানে এই সড়কের বেহাল দশা মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পরিনত করেছে। উপজেলার জনগণের সুবিধার্থে পুনঃ সংস্কারের নামে নির্মিত এ সড়কটি এখন শ্রীহীন। রাস্তাটি পুরো অংশ জুরেই ফের আবার গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। চলাচলের অনুপযোগী । কোথাও দেবে গেছে। কোথাও ভাঙ্গা। কোথাও গর্ত। যা অত্যান্ত বিপজ্জনক। পিচ ভেঙে পুরো রাস্তাটি যেন একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। যেন মৃত্যুগুহা। এ এলাকার মানুষের প্রাণের দাবী হচ্ছে অতি দ্রুত এ রাস্তাটি মেরামত করার।