স্ব-ঘোষিত সচিব পুত্র টিটু লন্ডনে পাঠানোর কথা বলে দেশের দক্ষিণাঞ্চেলের কয়েকটি পরিবারকে সর্বশান্ত করে দিয়েছে। পর্ব-২

স্টাফ রিপোর্টারঃঃ স্ব-ঘোষিত গণপূর্ত সচিবের পুত্র পরিচয় দানকারী আব্দুর রহমান টিটু লন্ডনে পাঠানোর কথা বলে দেশের দক্ষিণাঞ্চেলের বেশ কয়েকটি পরিবারকে সর্বশান্ত করে দিয়েছে। কিন্তু কে এই আব্দুর রহমান টিটু..? আমাদের একঝাক তরুন সংবাদকর্মী এর আদি অন্ত খোঁজ নিতে সাইবার’সহ নানান দিক তদন্ত করতে গিয়ে দেখতে পান। কোথায় রাসু খাঁ..? এই আব্দুর রহমান টিটু রাসু খাঁ’রও অনেক উপরে।

ঘটনার বিবরণ এই যে, আব্দুর রহমান টিটু পিতার নামঃ- মাইনুউদ্দীন আহাম্মেদ মাতার নামঃ- আঞ্জুমানয়ারা বেগম, ঠিকানাঃ তালুকদার ভিলা, বোরহান উদ্দীন পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ড। ডাকঘর ও উপজেলাঃ বোরহান উদ্দীন, জেলাঃ ভোলা। তিনি সম্পতি বাগেরহাটের সি এন্ড বি বাজার এলাকায় গ্রামঃ বালিয়া ডাঙ্গা, থানা- ফকিরহাট ও জেলা- বাগেরহাট। এর রেহানা আক্তার (৪০) নামের এক ডিভোর্সী নারীকে বিয়ে করেন। এর পর থেকে শুরু ঐ পরিবারের সদস্যদের দ্বারা নানান রকম প্রতারণার ফাঁদ পাততে শুরু করে। এতে ঐ পরিবারও কমবেশী উপকৃত হতে থাকে।

ভোলার বোরহান উদ্দীন উপজেলার মাইনুউদ্দীন আহাম্মেদ-এর স্ত্রী আঞ্জুমানয়ারা বেগম-এর গর্ভে ১৯৬৯ সালে জন্ম নেয় এই কুলাঙ্গার সন্তানটি। এলাকাবসীর সূত্রে জানা যায়, ছোট বেলা থেকেই টিটু কিছুটা চিটার টাইপের ছিল। তার অন্যান্য ভাইবোন কারোর সঙ্গেই কোন সম্পর্ক নেই। কারণ! একটাই পরিবারের মধ্যে এই আব্দুর রহমান টিটুই একমাত্র বাটপাড় হিসেবে খ্যাত। দীর্ঘদিন ঢাকায় থাকার পর সে বাহারাইনে একটি কোম্পানীতে নির্মান শ্রমিকের কাজে পাড়ি দেয়।

কিন্তু সেখানে তার পোষাচ্ছিল না। তাই দেশে ফিরে আসে টিটু। দেশে ফিরেই শুরু করে ইংল্যান্ডে লোক পাঠানোর নামে প্রতারণা। এই কারণেই দেশের বিভিন্ন এলাকার নারীরা ঝুকে পড়ে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমানোর আশায়। কথায় আছেঃ আশায় মরলো চাষা। ইংল্যান্ডে যাওয়ার আশা করা ঐ নারীদের এবং তাদের আত্মীয় স্বজনদেরই টোপ বানিয়ে সেই এলাকা থেকে টাকা টানতে শুরু করে। এমনই কয়েকটি পরিবারের কথা এবং সাইবারের মাধ্যমে কিভাবে ইংল্যান্ডের ইমিগ্রেশন কাগজ তৈরি করে? এই কাজে ঢাকার নামীদামী কিছু লোক, তারা কে, কে.? তাও তুলে ধরবো আগামীকাল আমাদের ৩য় পর্বে। তাই আমাদের সাথেই থাকুন।##

Categories: অপরাধ ফলোআপ,জাতীয়,টপ নিউজ,প্রধান নিউজ,লাইফস্টাইল,সারা দেশ