শ্রীমঙ্গলে দেবরের হাতে ভাবি খুন

আবু জাফর ,বিশেষ প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেবরের এলোপাতাড়ি কুড়ালের কোপে ভাবি খুন হয়েছে। ঘাতককে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ আটক করেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১. ৩০ মিনিটে ভাবী ইউনিয়েনের আলিশারকুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

সকালে ১১ টা দিকে নিহত ছালেকা বেগম (৫৩)’র বসত ভিটার কলের পাড়ে বাসন মাজছিলো। তখন পিছন থেকে এসে মৃত সুরত আলীর মেজ ছেলে মো: নুর মিয়া (৪০) এলোপাতাড়ি কুড়ালে কোপে বড় ভাবি কে মারাতœক আঘাত করলে প্রচুর রক্ত খনন হয়। অতিরিক্ত রক্ষ খননের ফলে ছালেহা বেগম (৫৩) ঘটনারস্থলে মারা যায়। এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: জালাল মিয়া জানান,আমি খবর পেয়ে নিমবর মিয়া’র বাড়িতে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি ছালেহা বেগম’র মৃত দেহ পড়ে আছে। ঘাতক নুর মিয়া ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে যায় লছনাতে । সেখান থেকে তাকে আটক করা হয় ।
ঘাতক নুর মিয়া শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও চৌমহনা চত্তরে পান সিগারেটের ছোট একটি দোকান রয়েছে। এদিকে এই রিপোট লেখা পর্যন্ত শ্রীমঙ্গল থানাতে মামলার প্রস্তুতি চলছে। জানাযায় ঘাতক নুর মিয়া মানসিক রোগী সে দীর্ঘ দিন সিলেট মানসিক রোগের চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলো। মাঝে মাঝে নুর মিয়া মাসনিক উত্তেজনা বাড়লে শিকল দিয়ে বাড়িতে বেঁধে রাখা হতো। তার বড় ভাই নিমবর মিয়া নিহত ভাবি তাকে চিকিৎসা করাতো। তবে, স্থানীয় সূত্রে জানাযায়.,বছর খানিক যাবৎ নুর মিয়া সুস্থ আছে। আর যখন মানসিক রোগ বেড়ে যায় তখন সে তার বড় ভাই ও ভাবিকে দেখতে পারে না। তাদেরকে উদ্দেশ্য প্রনেীতভাবে গালিগালাছ করে থাকে।

শ্রীমঙ্গল থানা অফিসার ইনচার্জ মো: নজরুল ইসলাম সাংবাদিকের জানান, আলিশারকুল নিমবর মিয়ার স্ত্রী ছালেহা কে তার দেবর বসতভিটার কলের পাড়ে কুড়াল দিয়ে মারাতœক ভাবে কোপালে প্রচুর রক্তখননে ঘটনা স্থলেই ছালেহার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌছি।এবং ঘাতক মো: নুর মিয়াকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসি। নিহত ছালেহা বেগমের মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।##