বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে ধাওয়া পালটা ধাওয়া উভয় পক্ষের ৯ জন আহত

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে ধাওয়া পালটা ধাওয়া, উভয় পক্ষের ৯ জন আহত

এমডি আবু জাফর, বিশেষ প্রতিনিধিঃঃ  দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের ১৩ দফা ও ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সমন্বয় কমিটির ৬ দফা দাবি আদায়ে খনি এলাকায় খনি কর্তৃপক্ষের বিক্ষোভকারীদের সাথে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পালটা ধাওয়া শুরু হয়। এতে শ্রমিক ও খনি কর্তৃপক্ষের আহত ৯। গতকাল মঙ্গলবার ১৫ই মে সকাল সাড়ে ৮টায় দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির প্রধান গেটের সামনে শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ও খনির ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সমন্বয় কমিটির ১৩ দফা ও ৬ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তারা বিক্ষোভ মিছিল ও ধর্মঘট শুরু করলে খনির কর্মকর্তাদের সাথে ধাওয়া পালটা ধাওয়া হলে কয়লা খনির শ্রমিকদের ২ জন ও খনি কর্মকর্তাসহ ৭ জন এ নিয়ে দু’পক্ষের ৯ জন আহত হয়। গত ১২ মে শনিবার থেকে দাবি আদায়ের লক্ষে তারা ধর্মঘট শুরু করে।

আন্দোলনকারীরা গত ১২ই মে শনিবার খনি কর্তৃপক্ষকে দাবি মেনে নেওয়ার জন্য আলটিমেটাম দেয়। কিন্তু খনি কতৃপক্ষ তাদের দাবি দাওয়া মেনে না নেওয়ায় তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। ধাওয়া পালটা ধাওয়া শেষে খনির প্রধান গেটে কয়েক শত শ্রমিক দের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো: রবিউল ইসলাম (রবি) ও সাবেক সভাপতি মো: ওয়াজেদ আলী তারা বলেন আমরা গত ১২ মে শনিবার থেকে দাবি আদায়ের লক্ষে খনি কর্তৃপক্ষকে আলটিমেটাম দিয়ে আসছি। কিন্তু তারা আমাদের ২ টি সংগঠনের দাবি মেনে না নেওয়ায় আমরা শান্তিপূর্ন ভাবে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে আসছিলাম। কিন্তু খনি কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবি মেনে না নিয়ে শ্রমিক এর উপর হামলা করে। ২ জন শ্রমিক আহত হয় এবং অন্যন্য শ্রমিক এর উপর হামলা করা হয়। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আল হাজ্ব হাবিব উদ্দিন এর সাথে গতকাল মঙ্গলবার মোবাইল ফোনে শ্রমিকদের আন্দোলনে দাবি দাওয়ার বিষয়ে কথা বললে তিনি জানান, শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে আমি পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান কে জানিয়েছি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আল হাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি কে শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে অবগত করা হয়েছে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান দেশের বাহিরে থাকায় বসা সম্ভব হচ্ছে না। দাবি দাওয়ার বিষয় আমি একক ভাবে কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারি না। আমি আন্দোলনকারী নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ করেছি কিন্তু তারা আমার কোন কথা রাখেননি। তারা হঠাৎ করে আন্দোলন শুরু করে। ২০ গ্রামের সম্বনয় কমিটির সদস্য মো: মিজানুর রহমান মিজান ও মো: মশিউর রহমান বুলবুল বলেন আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।##

Categories: অপরাধ ফলোআপ,জাতীয়,টপ নিউজ,প্রধান নিউজ,ব্যবসা ও অর্থনীতি,মতামত বিশ্লেষণ,রংপুর,সারা দেশ