ঢাকা ০২:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

কক্সবাজারে দখলবাজদের হামলায় তিন সিপিজি সদস্য আহত : অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ০৯:১১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২ ২৫১ বার পড়া হয়েছে
দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন ঝিলংজা দক্ষিণ মহুরীপাড়ায় বনভূমি দখল করে নির্মিতব্য পাকা দালান উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ।

এসময় দখলবাজদের হামলায় দক্ষিণ বনবিভাগের কমিউনিটি পেট্রল গ্রুপ (সিপিজি) এর তিন নারী সদস্য আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাকারিয়ার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও কক্সবাজার সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সমির রঞ্জন সাহা’র নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর রঞ্জন সাহা বলেন, ঝিলংজার দক্ষিণ মহুরীপাড়ায় বনভূমি দখল করে পাকা দালান নির্মাণের খরব পেয়ে মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান লিংকরোড বিট কর্মকর্তা মো. সোহেল হোসেন, স্টাফ ও সিপিজি সদস্যরা।

এসময় এলাকার কিশোর গ্যাং লিডার দখলবাজ এনামুল হকসহ তার লোকজন বনকর্মীদের উপর হামলা চালায়। এতে বনবিভাগের কমিউনিটি পেট্রল গ্রুপ (সিপিজি) এর তিন নারী সদস্য আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর রঞ্জন সাহা আরও জানান, ঘটনার পর কক্সবাজার সদর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হলে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া, সদর মডেল থানা পুলিশ ও বনবিভাগ যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

সিপিজি সদস্যদের উপর হামলায় জড়িতরা হলেন, আবু বক্কর সিদ্দীক প্রকাশ ইউসুফ ড্রাইভার, তার ছেলে কিশোর গ্যাং লিডার এনামুল হক, মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার, ইউসুফ ড্রাইভারের স্ত্রী জুহুরা বেগম, তার বোন জোহারা বেগম সহ অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জন।

তারা সকলে পুরনো রোহিঙ্গা বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে বন আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর।

কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, বনবিভাগের সাথে যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। দখলবাজ ও হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বনবিভাগকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কক্সবাজারে দখলবাজদের হামলায় তিন সিপিজি সদস্য আহত : অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আপডেট সময় : ০৯:১১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন ঝিলংজা দক্ষিণ মহুরীপাড়ায় বনভূমি দখল করে নির্মিতব্য পাকা দালান উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ।

এসময় দখলবাজদের হামলায় দক্ষিণ বনবিভাগের কমিউনিটি পেট্রল গ্রুপ (সিপিজি) এর তিন নারী সদস্য আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাকারিয়ার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও কক্সবাজার সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সমির রঞ্জন সাহা’র নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর রঞ্জন সাহা বলেন, ঝিলংজার দক্ষিণ মহুরীপাড়ায় বনভূমি দখল করে পাকা দালান নির্মাণের খরব পেয়ে মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান লিংকরোড বিট কর্মকর্তা মো. সোহেল হোসেন, স্টাফ ও সিপিজি সদস্যরা।

এসময় এলাকার কিশোর গ্যাং লিডার দখলবাজ এনামুল হকসহ তার লোকজন বনকর্মীদের উপর হামলা চালায়। এতে বনবিভাগের কমিউনিটি পেট্রল গ্রুপ (সিপিজি) এর তিন নারী সদস্য আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর রঞ্জন সাহা আরও জানান, ঘটনার পর কক্সবাজার সদর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হলে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া, সদর মডেল থানা পুলিশ ও বনবিভাগ যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

সিপিজি সদস্যদের উপর হামলায় জড়িতরা হলেন, আবু বক্কর সিদ্দীক প্রকাশ ইউসুফ ড্রাইভার, তার ছেলে কিশোর গ্যাং লিডার এনামুল হক, মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার, ইউসুফ ড্রাইভারের স্ত্রী জুহুরা বেগম, তার বোন জোহারা বেগম সহ অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জন।

তারা সকলে পুরনো রোহিঙ্গা বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে বন আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর।

কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, বনবিভাগের সাথে যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। দখলবাজ ও হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বনবিভাগকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।