ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

কয়লার দাম আকাশচুম্বী দিশেহারা ব্রিক ফিল্ডের মালিকরা 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ ২০২২ ১৪২ বার পড়া হয়েছে

কয়লার দাম আকাশচুম্বী দিশেহারা ব্রিক ফিল্ডের মালিকরা 

দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এহসানুল হক রিপনঃ কয়লার দাম বেড়ে দ্বিগুন হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইট ভাটা মালিকরা তাদের ব্যবসা পরিচালনা নিয়ে হতাশ ও শংকিত হয়ে পড়েছেন। দ্বিগুন দামে কয়লা কিনে ইট পোড়ালে বাড়বে উৎপাদন খরচ। এ অবস্থায় ব্যবসা চালাতে গেলে ইটের দাম বাড়ানো ছাড়া আর কোন বিকল্প উপায় থাকবে না তাদের।

জানা গেছে, গত কয়েক বছরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কয়েকটি উপজেলায় বেশ কিছু পরিবেশ বান্ধব ইট ভাটা গড়ে উঠেছে। এসব ইট ভাটায় সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষের দিক থেকে মাটি কেনা ও অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে কাঁচা ইট প্রস্ত করা হয়।নভেম্বর মাসের প্রথম দিক থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত একই সাথে চলে ইট তৈরী ও পোড়ানোর কাজ।

প্রতি মৌসুমেই এলাকার চাহিদা মেটানোর পরও পাশের উপজেলা গুলোর ক্রেতাদের নিকট ইট বিক্রি করেন ইট ভাটা মালিকরা। গত মৌসুমে এসব ভাটায় প্রস্ততকৃত ইট ৭ হাজার থেকে ৭ হাজার ৫শ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ভাটা মালিকদের গত বছরের সব ইট বিক্রি হয়ে গেছে।কয়লার দাম বাড়ায় চলতি মৌসুমের শুরুতেই ইটের দাম বৃদ্ধির আশংকা করা হচ্ছে।

দু একটি ইট ভাটায় ইট পোড়ানো শুরু হলেও অনেক ইট ভাটা মালিকই এখন পর্যন্ত উৎপাদনে যেতে পারেননি। তদুপরি লঘুচাপের প্রভাবে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হওয়ায় কাঁচা ইট তৈরীর কাজ বন্ধ রয়েছে। ফলে উৎপাদনে যেতে আরো দেরী হয়ে যাচ্ছে ইট ভাটা মালিকদের। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সুহিলপুরের ইট ভাটার মালিক জহির ভুঁইয়া জানান, গত বছর এসময় প্রতি টন কয়লার দাম ছিল সাত হাজার থেকে আট হাজার টাকা।

এবার মৌসুমের শুরুতেই আমাদের প্রতি টন কয়লা কিনতে হচ্ছে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকায়। প্রতি টনে দাম বেড়েছে প্রায় ১৩ হাজার টাকা। কয়লার দাম না কমলে ইট ভাটা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। বর্ধিত দামে কয়লা কিনে ইট পোড়ালে আমাদের অবশ্যই বেশি দামে ইট বিক্রি করতে হবে।

কয়লা ব্যবসায়ীরা জানান, কয়লা বিদেশ থেকে আমদানী করতে হয়। আমাদের বেশি দামে কয়লা কিনতে হচ্ছে তাই বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি আমরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কয়লার দাম আকাশচুম্বী দিশেহারা ব্রিক ফিল্ডের মালিকরা 

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ ২০২২

এহসানুল হক রিপনঃ কয়লার দাম বেড়ে দ্বিগুন হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইট ভাটা মালিকরা তাদের ব্যবসা পরিচালনা নিয়ে হতাশ ও শংকিত হয়ে পড়েছেন। দ্বিগুন দামে কয়লা কিনে ইট পোড়ালে বাড়বে উৎপাদন খরচ। এ অবস্থায় ব্যবসা চালাতে গেলে ইটের দাম বাড়ানো ছাড়া আর কোন বিকল্প উপায় থাকবে না তাদের।

জানা গেছে, গত কয়েক বছরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কয়েকটি উপজেলায় বেশ কিছু পরিবেশ বান্ধব ইট ভাটা গড়ে উঠেছে। এসব ইট ভাটায় সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষের দিক থেকে মাটি কেনা ও অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে কাঁচা ইট প্রস্ত করা হয়।নভেম্বর মাসের প্রথম দিক থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত একই সাথে চলে ইট তৈরী ও পোড়ানোর কাজ।

প্রতি মৌসুমেই এলাকার চাহিদা মেটানোর পরও পাশের উপজেলা গুলোর ক্রেতাদের নিকট ইট বিক্রি করেন ইট ভাটা মালিকরা। গত মৌসুমে এসব ভাটায় প্রস্ততকৃত ইট ৭ হাজার থেকে ৭ হাজার ৫শ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ভাটা মালিকদের গত বছরের সব ইট বিক্রি হয়ে গেছে।কয়লার দাম বাড়ায় চলতি মৌসুমের শুরুতেই ইটের দাম বৃদ্ধির আশংকা করা হচ্ছে।

দু একটি ইট ভাটায় ইট পোড়ানো শুরু হলেও অনেক ইট ভাটা মালিকই এখন পর্যন্ত উৎপাদনে যেতে পারেননি। তদুপরি লঘুচাপের প্রভাবে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হওয়ায় কাঁচা ইট তৈরীর কাজ বন্ধ রয়েছে। ফলে উৎপাদনে যেতে আরো দেরী হয়ে যাচ্ছে ইট ভাটা মালিকদের। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সুহিলপুরের ইট ভাটার মালিক জহির ভুঁইয়া জানান, গত বছর এসময় প্রতি টন কয়লার দাম ছিল সাত হাজার থেকে আট হাজার টাকা।

এবার মৌসুমের শুরুতেই আমাদের প্রতি টন কয়লা কিনতে হচ্ছে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকায়। প্রতি টনে দাম বেড়েছে প্রায় ১৩ হাজার টাকা। কয়লার দাম না কমলে ইট ভাটা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। বর্ধিত দামে কয়লা কিনে ইট পোড়ালে আমাদের অবশ্যই বেশি দামে ইট বিক্রি করতে হবে।

কয়লা ব্যবসায়ীরা জানান, কয়লা বিদেশ থেকে আমদানী করতে হয়। আমাদের বেশি দামে কয়লা কিনতে হচ্ছে তাই বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি আমরা।