ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

মাদারীপুরে কলম পদ্ধতি প্রয়োগ করায় একটি আমগাছে আট জাতের আম ধরছে

এস আর শফিক স্বপন, মাদারীপুর।
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩ ৭৬ বার পড়া হয়েছে
দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাদারীপুরে কলম পদ্ধতি প্রয়োগ করায় একটি আমগাছে আট জাতের আম ধরছে। মাদারীপুরের মস্তফাপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদেরা জানান, গাছটিতে আট জাতের আম ধরেছে। আট রঙের আমগুলো দেখতে যেমন বাহারি, তেমনি সুস্বাদু। গাছটিতে বছরের ১২ মাসই আম ধরবে।

মস্তফাপুর হর্টিকালচার সেন্টার জানায়, প্রতিষ্ঠানটিতে ২০২২ সালে একটি উন্নত জাতের আমগাছ রোপণ করা হয়। ছয় মাসের মাথায় গাছটির প্রধান শাখাটি মরে যায়। এরপর গোড়ায় দিক থেকে গাছটিতে নতুন করে ১০টি ডাল গজায়। ডালগুলোতে কলম তৈরির মাধ্যমে ১০টি ভিন্ন জাতের আমগাছের ডাল বসানো হয়। এর মধ্যে আটটি জাতের কলম বেঁচে যায়। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ফলন দেওয়া শুরু করে গাছটি।
গাছের আট জাতের আমগুলো হলো মিয়াজাকি, পালমার্ক, থাই জাম্বু, কাটিমন, বারি আম-১১, কিউজাই, হিমসাগর ও বানানা।
বর্তমানে হর্টিকালচার সেন্টারে এমন আরও চারা গাছ তৈরির কার্যক্রম চলছে।

মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর হর্টিকালচার সেন্টার দেখা গেছে, প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার গাছটিতে নানা জাতের আম ঝুলছে। লাল, সবুজ ও খয়েরি রঙের এসব আমের আকৃতিও ভিন্ন। গাছটির কয়েকটি ডালে আম ইতোমধ্যে পরিপক্ব হয়েছে। আবার কোনো ডালে শুধু আমের মুকুল এসেছে, কোনোটিতে এখনো কাঁচা আম ঝুলছে। আমগাছটি দেখতে অনেকেই হর্টিকালচার সেন্টারে আসছেন।

মাদারীপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক আশুতোষ কুমার বিশ্বাস বলেন, গাছটি অভিনব কলম পদ্ধতিতে তৈরি। বীজের চারা থেকে কলম করার মাধ্যমে এটি করা হয়েছে। একই গাছে বিভিন্ন জাতের আমের সংমিশ্রণ তৈরি করায় বছর জুড়ে গাছটি থেকে আম পাওয়া যাবে। গাছটি ইতোমধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে, অনেকেই গাছটি নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সারা দেশে এ ধরনের আমগাছের চারা উৎপাদন করতে এখানকার উদ্যানতত্ত্ববিদরা গবেষণা শুরু করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মাদারীপুরে কলম পদ্ধতি প্রয়োগ করায় একটি আমগাছে আট জাতের আম ধরছে

আপডেট সময় : ০১:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩

মাদারীপুরে কলম পদ্ধতি প্রয়োগ করায় একটি আমগাছে আট জাতের আম ধরছে। মাদারীপুরের মস্তফাপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদেরা জানান, গাছটিতে আট জাতের আম ধরেছে। আট রঙের আমগুলো দেখতে যেমন বাহারি, তেমনি সুস্বাদু। গাছটিতে বছরের ১২ মাসই আম ধরবে।

মস্তফাপুর হর্টিকালচার সেন্টার জানায়, প্রতিষ্ঠানটিতে ২০২২ সালে একটি উন্নত জাতের আমগাছ রোপণ করা হয়। ছয় মাসের মাথায় গাছটির প্রধান শাখাটি মরে যায়। এরপর গোড়ায় দিক থেকে গাছটিতে নতুন করে ১০টি ডাল গজায়। ডালগুলোতে কলম তৈরির মাধ্যমে ১০টি ভিন্ন জাতের আমগাছের ডাল বসানো হয়। এর মধ্যে আটটি জাতের কলম বেঁচে যায়। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ফলন দেওয়া শুরু করে গাছটি।
গাছের আট জাতের আমগুলো হলো মিয়াজাকি, পালমার্ক, থাই জাম্বু, কাটিমন, বারি আম-১১, কিউজাই, হিমসাগর ও বানানা।
বর্তমানে হর্টিকালচার সেন্টারে এমন আরও চারা গাছ তৈরির কার্যক্রম চলছে।

মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর হর্টিকালচার সেন্টার দেখা গেছে, প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার গাছটিতে নানা জাতের আম ঝুলছে। লাল, সবুজ ও খয়েরি রঙের এসব আমের আকৃতিও ভিন্ন। গাছটির কয়েকটি ডালে আম ইতোমধ্যে পরিপক্ব হয়েছে। আবার কোনো ডালে শুধু আমের মুকুল এসেছে, কোনোটিতে এখনো কাঁচা আম ঝুলছে। আমগাছটি দেখতে অনেকেই হর্টিকালচার সেন্টারে আসছেন।

মাদারীপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক আশুতোষ কুমার বিশ্বাস বলেন, গাছটি অভিনব কলম পদ্ধতিতে তৈরি। বীজের চারা থেকে কলম করার মাধ্যমে এটি করা হয়েছে। একই গাছে বিভিন্ন জাতের আমের সংমিশ্রণ তৈরি করায় বছর জুড়ে গাছটি থেকে আম পাওয়া যাবে। গাছটি ইতোমধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে, অনেকেই গাছটি নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সারা দেশে এ ধরনের আমগাছের চারা উৎপাদন করতে এখানকার উদ্যানতত্ত্ববিদরা গবেষণা শুরু করেছেন।