ঢাকা ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

আশুলিয়ায় ৩মাসের শিশুকে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ এপ্রিল ২০২২ ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

আশুলিয়ায় ৩মাসের শিশুকে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ

দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়ার গোরাট এলাকার নাইটেংগেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন “ফাতেমা পেইন কেয়ার সেন্টার” এর বিরুদ্ধে ৩ মাসের শিশুকে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরফলে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার পরিবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য আরেকটি হাসপাতালে ভর্তি করান।

এতে প্রায় লাখ টাকা অতিরিক্ত গুণতে হয় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে। এবিষয়ে থানায় একটি জিডি করেন ভুক্তভোগী পরিবার। জিডি নং-১০৮৮। শিশুটির নাম তানজীম হোসেন। আশুলিয়ার ছয়তলা এলাকার দি রোজ নামে একটি পোশাক কারখানায় চাকুরী করেন তার বাবা ও মা তানিয়া বেগম।

ভুক্তভোগী শিশুটির মা তানিয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, গত ৩ এপ্রিল প্রথম রোজার দিনে আমার বাচ্চার কানে একটা ফোড়া হয়। ফোঁড়া চিকিৎসার জন্য আমি ফাতেমা পেইন কেয়ার সেন্টারে নিয়ে যাই। পরবর্তীতে ডাক্তার আহসান হাবিব কান ওয়াশ করে দেয় এবং একটা এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন পুশ করেন।

এরপরেই আমার বাচ্চা আর নড়াচড়া করে না। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম ঘুমিয়ে গেছে। সেখান থেকে বাসায় নিয়ে আসার পরে বাচ্চাকে বিছানায় শুইয়ে দেই। এর কিছুক্ষণ পরে দেখতে পাই তার হাত-পা শক্ত হয়ে গেছে। পরে আমি চিৎকার করে কান্নাকাটি করলে বাসার পাশের ভাড়াটিয়ারা এসে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।

তখন দেরী না করে নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাই। ওই হাসপাতালে আইসিইউ বেড না থাকায় সেখানকার দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

এর ৩৬ ঘন্টা পরে আমার বাচ্চার জ্ঞান ফিরে আসে। তবে ভুল ইনজেকশন পুশ করার কারণে এই ড্রাগ রিয়াকশন করেছে বলে জানা যায় এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দ্বায়িত্বরত চিকিৎসকের কাছ থেকে। সেখানে ৭দিন ভর্তি থাকায় প্রায় লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।

আমি যাতে করে এর সুষ্ঠ বিচার পাই এজন্য প্রশাসন মহলের সুদৃষ্টি কামনা করছি। এব্যাপারে ডাক্তার আহসান হাবিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি লোক মারফতে জানান, ‘আমি ঐ শিশু বাচ্চাকে সঠিক চিকিৎসা দিয়েছি। কিন্তু শিশুর পরিবার যদি আমাদের চিকিৎসায় সন্তুুষ্ট না হয়, তাহলে তারা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।

যদি করে তাহলে আইনি প্রক্রিয়ায় মোকাবেলা করবেন বলে জানান তিনি। পরে এবিষয়ে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সায়েমুল হুদা’র মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আশুলিয়ায় ৩মাসের শিশুকে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:১৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ এপ্রিল ২০২২

আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়ার গোরাট এলাকার নাইটেংগেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন “ফাতেমা পেইন কেয়ার সেন্টার” এর বিরুদ্ধে ৩ মাসের শিশুকে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরফলে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার পরিবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য আরেকটি হাসপাতালে ভর্তি করান।

এতে প্রায় লাখ টাকা অতিরিক্ত গুণতে হয় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে। এবিষয়ে থানায় একটি জিডি করেন ভুক্তভোগী পরিবার। জিডি নং-১০৮৮। শিশুটির নাম তানজীম হোসেন। আশুলিয়ার ছয়তলা এলাকার দি রোজ নামে একটি পোশাক কারখানায় চাকুরী করেন তার বাবা ও মা তানিয়া বেগম।

ভুক্তভোগী শিশুটির মা তানিয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, গত ৩ এপ্রিল প্রথম রোজার দিনে আমার বাচ্চার কানে একটা ফোড়া হয়। ফোঁড়া চিকিৎসার জন্য আমি ফাতেমা পেইন কেয়ার সেন্টারে নিয়ে যাই। পরবর্তীতে ডাক্তার আহসান হাবিব কান ওয়াশ করে দেয় এবং একটা এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন পুশ করেন।

এরপরেই আমার বাচ্চা আর নড়াচড়া করে না। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম ঘুমিয়ে গেছে। সেখান থেকে বাসায় নিয়ে আসার পরে বাচ্চাকে বিছানায় শুইয়ে দেই। এর কিছুক্ষণ পরে দেখতে পাই তার হাত-পা শক্ত হয়ে গেছে। পরে আমি চিৎকার করে কান্নাকাটি করলে বাসার পাশের ভাড়াটিয়ারা এসে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।

তখন দেরী না করে নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাই। ওই হাসপাতালে আইসিইউ বেড না থাকায় সেখানকার দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

এর ৩৬ ঘন্টা পরে আমার বাচ্চার জ্ঞান ফিরে আসে। তবে ভুল ইনজেকশন পুশ করার কারণে এই ড্রাগ রিয়াকশন করেছে বলে জানা যায় এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দ্বায়িত্বরত চিকিৎসকের কাছ থেকে। সেখানে ৭দিন ভর্তি থাকায় প্রায় লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।

আমি যাতে করে এর সুষ্ঠ বিচার পাই এজন্য প্রশাসন মহলের সুদৃষ্টি কামনা করছি। এব্যাপারে ডাক্তার আহসান হাবিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি লোক মারফতে জানান, ‘আমি ঐ শিশু বাচ্চাকে সঠিক চিকিৎসা দিয়েছি। কিন্তু শিশুর পরিবার যদি আমাদের চিকিৎসায় সন্তুুষ্ট না হয়, তাহলে তারা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।

যদি করে তাহলে আইনি প্রক্রিয়ায় মোকাবেলা করবেন বলে জানান তিনি। পরে এবিষয়ে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সায়েমুল হুদা’র মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।