ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

৪০ বছর পর বাবা-মাকে ফিরে পেলেন মেয়ে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

৪০ বছর পর বাবা-মাকে ফিরে পেলেন মেয়ে

দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেস্ক রিপোর্টঃ ৭ বছর বয়সী মিনতি তার বাড়ি থেকে নি’খোঁজ হয়। ৪০ বছর পর মিনতিকে স্বজনদের মাঝে নিয়ে এলেন নিয়তি। ৪০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া মিনতি বেগমকে (৪৭) ফিরে পেয়ে তাকে জড়ি’য়ে ধরে মা আনন্দে কেঁদে ফেলেন। বাড়িতে যেন খুশির বন্যা বই’ছে।

শাহরুখ নয়ন নামের এক তরুণের মাধ্যমে আপন’জনদের ফিরে পেলেন ওই মিনতি। জানা যায়, রোববার মিনতির নিজ গ্রাম নাটো’রের গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়’নের রানীগ্রামে বাবা-মা এবং স্বজনদের হাতে তুলে দেন শাহরুখ নয়ন। মিন’তির বাবার নাম মো. বাছের আলী।

মিনতির ভাই তাছের আলী জানান, তারা চার ভাই-বোন। তাদের মধ্যে মিন’তিই ছোট। তার বয়স যখন ৬ বছর তখন চাচাতো ভগিনীপতির সঙ্গে ময়মন’সিংহে বেড়াতে যায় সে। এক’পর্যায়ে স্টেশনে হারিয়ে যায় মিনতি। পরে সেখানকার মসলেম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি তার বাসায় নিয়ে যান।

সেখা’নেই বড় হয় মিনতি। এক সময় তাকে গাজীপুরে’র শ্রীপুর এলাকার ব্যবসায়ী বুরহান উদ্দিনের সঙ্গে বিয়ে দেন তিনি। ৪০ বছর পর নিজের হারানো বোন’কে খুঁজে পেয়ে খুব খুশি তিনি।

মিনতিকে পরি’বারের হাতে তুলে দেওয়ার পেছনের উদ্যোক্তা শাহরুখ নয়ন জানান, তার বাড়ি উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের মকিমপুর এলাকায়। তিনি একই এলাকার ইউপি সদস্য আলীর ছেলে। ঢাকা কলেজে পড়া’শোনা করেন তিনি। এক সময় পরিচয় হয় মিনতির জামাতার সঙ্গে।

তার কাছেই শোনেন মিন’তির জীবনের গল্প। তখন মিনতির সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন রাজশাহী জেলার কাছিকাটা গ্রামে তার বাড়ি। এতটুকু ছাড়া মিনতি আর কিছুই বলতে পারে’ননি।

মিনতি যখন হারিয়ে যায় তখন বৃহত্তর রাজ’শাহী জেলা ছিল। যেহেতু নিজ উপজেলাতে কাছিকাটা গ্রাম রয়েছে এজন্য শাহরুখ নয়ন কাছিকাটা গ্রামে মিনতির বর্তমান ছবিসহ লিফ’লেট বিতরণ করেন।

এরপর একটি ফোন আসে মিনতির বিষয়ে। মিনতি মোবাইল ফোনে তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ছোট বেলার কিছু চিহ্ন ও স্মৃতির সূত্র ধরেই আপন ঠিকা’নার সন্ধান পান তিনি।

মিনতি বেগম বলেন, এত বছর পর সবা’ইকে কাছে পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। বেঁচে থাকলে আল্লাহ পাক একদিন আপনজনকে ফিরিয়ে দেন। তরুণ নয়’নের কাছে তিনি কৃতজ্ঞ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

৪০ বছর পর বাবা-মাকে ফিরে পেলেন মেয়ে

আপডেট সময় : ০৮:০৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

ডেস্ক রিপোর্টঃ ৭ বছর বয়সী মিনতি তার বাড়ি থেকে নি’খোঁজ হয়। ৪০ বছর পর মিনতিকে স্বজনদের মাঝে নিয়ে এলেন নিয়তি। ৪০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া মিনতি বেগমকে (৪৭) ফিরে পেয়ে তাকে জড়ি’য়ে ধরে মা আনন্দে কেঁদে ফেলেন। বাড়িতে যেন খুশির বন্যা বই’ছে।

শাহরুখ নয়ন নামের এক তরুণের মাধ্যমে আপন’জনদের ফিরে পেলেন ওই মিনতি। জানা যায়, রোববার মিনতির নিজ গ্রাম নাটো’রের গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়’নের রানীগ্রামে বাবা-মা এবং স্বজনদের হাতে তুলে দেন শাহরুখ নয়ন। মিন’তির বাবার নাম মো. বাছের আলী।

মিনতির ভাই তাছের আলী জানান, তারা চার ভাই-বোন। তাদের মধ্যে মিন’তিই ছোট। তার বয়স যখন ৬ বছর তখন চাচাতো ভগিনীপতির সঙ্গে ময়মন’সিংহে বেড়াতে যায় সে। এক’পর্যায়ে স্টেশনে হারিয়ে যায় মিনতি। পরে সেখানকার মসলেম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি তার বাসায় নিয়ে যান।

সেখা’নেই বড় হয় মিনতি। এক সময় তাকে গাজীপুরে’র শ্রীপুর এলাকার ব্যবসায়ী বুরহান উদ্দিনের সঙ্গে বিয়ে দেন তিনি। ৪০ বছর পর নিজের হারানো বোন’কে খুঁজে পেয়ে খুব খুশি তিনি।

মিনতিকে পরি’বারের হাতে তুলে দেওয়ার পেছনের উদ্যোক্তা শাহরুখ নয়ন জানান, তার বাড়ি উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের মকিমপুর এলাকায়। তিনি একই এলাকার ইউপি সদস্য আলীর ছেলে। ঢাকা কলেজে পড়া’শোনা করেন তিনি। এক সময় পরিচয় হয় মিনতির জামাতার সঙ্গে।

তার কাছেই শোনেন মিন’তির জীবনের গল্প। তখন মিনতির সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন রাজশাহী জেলার কাছিকাটা গ্রামে তার বাড়ি। এতটুকু ছাড়া মিনতি আর কিছুই বলতে পারে’ননি।

মিনতি যখন হারিয়ে যায় তখন বৃহত্তর রাজ’শাহী জেলা ছিল। যেহেতু নিজ উপজেলাতে কাছিকাটা গ্রাম রয়েছে এজন্য শাহরুখ নয়ন কাছিকাটা গ্রামে মিনতির বর্তমান ছবিসহ লিফ’লেট বিতরণ করেন।

এরপর একটি ফোন আসে মিনতির বিষয়ে। মিনতি মোবাইল ফোনে তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ছোট বেলার কিছু চিহ্ন ও স্মৃতির সূত্র ধরেই আপন ঠিকা’নার সন্ধান পান তিনি।

মিনতি বেগম বলেন, এত বছর পর সবা’ইকে কাছে পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। বেঁচে থাকলে আল্লাহ পাক একদিন আপনজনকে ফিরিয়ে দেন। তরুণ নয়’নের কাছে তিনি কৃতজ্ঞ।