ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

ফরাক্কাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আব্দুস সাত্তার, দিনাজপুর।
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৭০ বার পড়া হয়েছে
দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৯নং ফরাক্কাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে প্রকাশ,গত ২০০৩ সালে মোছাঃ মমতাজ বেগম প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিনি যোগদানের পর থেকে খেয়ালখুশিমতভাবে বিদ্যালয়ে আসলেও নির্ধারিত সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের শ্রেণী কক্ষে পড়ায় না। স্কুল চলাকালীন সময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের অযুহাত দিয়ে ব্যক্তিগত কাজে বেড়িয়ে যান। তার বোন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হওয়ার কারণে তিনি নিজেকে ক্ষমতাধর মনে করেন। ম্যানেজিং কমিটি কোনো কাজে বাঁধা দিলে তিনি বলেন, আমি এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক, আমার সিদ্ধান্ত সবাইকে মানতে হবে। প্রধান শিক্ষকের আচরণ এমনই যে, তিনি কাউকেই তোয়াক্কা করেন না। বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য সরকারী বরাদ্ধের বিষয়ে কমিটিকে অবহিত করেন না। নিজের ইচ্ছেমত কমিটি গঠন করেন। প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের আচরণ চলমান রয়েছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, বিদ্যালয়ের চারটি পুরনো গাছের বর্তমানে কোনো হদিস নেই। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আফছার আলী জানান, অত্র বিদ্যালয়ের ২০ বছরের অধিক সময় ধরে তিনি দাতা সদস্য হিসেবে নিয়োজিত এবং বর্তমানে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিপুর্বে বিদ্যালয়ের প্রাচীর, স্কুল গেইট ও শহীদ মিনার নির্মাণ করে দিয়েছেন। বিদ্যালয়ের সুনাম ও শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান উন্নয়নের স্বার্থে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগসমুহ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গত ৮ জানুয়ারী ২০২৩ তারিখে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে একটি লিখিতভাবে আবেদন করেন। যার প্রেক্ষিতে বিরল উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার চৈতন্য কুমার রায় সহ দু’জন অফিসার গত ৬ ফেব্রুয়ারী সোমবার বেলা ১১টায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটি, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানী চলাকালীন সময়ে অভিযোগগুলির প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক সন্তুষ্টি মুলক উত্তর দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরাক্কাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৩২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৯নং ফরাক্কাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে প্রকাশ,গত ২০০৩ সালে মোছাঃ মমতাজ বেগম প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিনি যোগদানের পর থেকে খেয়ালখুশিমতভাবে বিদ্যালয়ে আসলেও নির্ধারিত সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের শ্রেণী কক্ষে পড়ায় না। স্কুল চলাকালীন সময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের অযুহাত দিয়ে ব্যক্তিগত কাজে বেড়িয়ে যান। তার বোন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হওয়ার কারণে তিনি নিজেকে ক্ষমতাধর মনে করেন। ম্যানেজিং কমিটি কোনো কাজে বাঁধা দিলে তিনি বলেন, আমি এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক, আমার সিদ্ধান্ত সবাইকে মানতে হবে। প্রধান শিক্ষকের আচরণ এমনই যে, তিনি কাউকেই তোয়াক্কা করেন না। বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য সরকারী বরাদ্ধের বিষয়ে কমিটিকে অবহিত করেন না। নিজের ইচ্ছেমত কমিটি গঠন করেন। প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের আচরণ চলমান রয়েছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, বিদ্যালয়ের চারটি পুরনো গাছের বর্তমানে কোনো হদিস নেই। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আফছার আলী জানান, অত্র বিদ্যালয়ের ২০ বছরের অধিক সময় ধরে তিনি দাতা সদস্য হিসেবে নিয়োজিত এবং বর্তমানে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিপুর্বে বিদ্যালয়ের প্রাচীর, স্কুল গেইট ও শহীদ মিনার নির্মাণ করে দিয়েছেন। বিদ্যালয়ের সুনাম ও শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান উন্নয়নের স্বার্থে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগসমুহ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গত ৮ জানুয়ারী ২০২৩ তারিখে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে একটি লিখিতভাবে আবেদন করেন। যার প্রেক্ষিতে বিরল উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার চৈতন্য কুমার রায় সহ দু’জন অফিসার গত ৬ ফেব্রুয়ারী সোমবার বেলা ১১টায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটি, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানী চলাকালীন সময়ে অভিযোগগুলির প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক সন্তুষ্টি মুলক উত্তর দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানা যায়।