ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

শাল্লায় সরকারি ভূমি উদ্ধারে প্রশাসনের উদ্যোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ নভেম্বর ২০২১ ২০১ বার পড়া হয়েছে
দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার, সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের জেএল (১৩) দাগ নং ৩১১৫ খতিয়ান (১) সরকারি ভূমিতে জোরপূর্বক দখলসহ ভবন নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচারনা করে আসছে ভূমিখেকো পান্ডব দাস।

এবিষয়ে মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) গ্রামবাসীর স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মুক্তাদির হোসেনের নিকট দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার, তহশীলদার, অফিস সহকারীসহ একটি টিম আনন্দপুর গ্রামের ভূমিখেঁকো পান্ডব দাসের নিকট থেকে উক্ত জায়গা উদ্ধারের কার্যক্রম পরিচালনা করেন, এবং সেখানে লাল নিশান টাঙিয়ে দেন তারা ।

জানা যায়, পান্ডব দাস দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের পানি নিস্কাসনের ড্রেনসহ রাস্তা ক্ষমতার বলে দখল করে ব্যবসা করছিল। হঠাৎ সেই জায়গায় সরকারি অনুমতি ব্যতিত দালান ভবন তৈরি করছে পান্ডব দাস । ভবন নির্মাণ তৈরিতে গ্রামবাসী বাধা দিলে গ্রামবাসীকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগকারীরা জানান।

পরে গ্রামবাসীর পক্ষে রাখাল চন্দ্র দাস গং বাদী হয়ে ভূমিখেকো পান্ডব দাসের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখল মুক্ত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সার্ভেয়ার, তহশীলদার, অফিস সহকারী জায়গা উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে আসেন এবং অভিযোগের সত্যতা পান।

পরে সরকারের খাস জায়গা চিহ্নিত করে পাকা ভবন ও পুরনো দোকান ভেঙ্গে ফেলার জন্য ১৫ দিনের সময় বেধে দেন পান্ডব দাস কে। সময়সীমা অতিক্রম হলে উচ্ছেদ অভিযান করা হবে বলে পান্ডব দাসকে জানিয়ে দেন তারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মুক্তাদির হোসেন বলেন, বন্দোবস্ত না নিয়ে সরকারি জায়গা দখল করা হয়েছিল। আমরা অভিযোগ পাওয়ার পর দখলদারের কাছ থেকে সরকারি জায়গা উদ্ধার করে লাল নিশান টানিয়ে দিয়ে আসি। এবং ১৫ দিনের মধ্যে সকল স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে । এলাকাবাসী বলছেন, বহুদিন পরে হলেও সরকারের নজরে এসেছে বিষয় টি । তারা বলছেন সরকারি জায়গায় কি করে, কার ক্ষমতায় ভাবন নির্মাণ করছে সেই বিষয় জানসাধারণ জানতে চায় এবং এই মহৎ উদ্যোগের জন্য প্রশাসনের প্রশংসা করেন এলাকাবাসী ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শাল্লায় সরকারি ভূমি উদ্ধারে প্রশাসনের উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ নভেম্বর ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের জেএল (১৩) দাগ নং ৩১১৫ খতিয়ান (১) সরকারি ভূমিতে জোরপূর্বক দখলসহ ভবন নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচারনা করে আসছে ভূমিখেকো পান্ডব দাস।

এবিষয়ে মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) গ্রামবাসীর স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মুক্তাদির হোসেনের নিকট দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার, তহশীলদার, অফিস সহকারীসহ একটি টিম আনন্দপুর গ্রামের ভূমিখেঁকো পান্ডব দাসের নিকট থেকে উক্ত জায়গা উদ্ধারের কার্যক্রম পরিচালনা করেন, এবং সেখানে লাল নিশান টাঙিয়ে দেন তারা ।

জানা যায়, পান্ডব দাস দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের পানি নিস্কাসনের ড্রেনসহ রাস্তা ক্ষমতার বলে দখল করে ব্যবসা করছিল। হঠাৎ সেই জায়গায় সরকারি অনুমতি ব্যতিত দালান ভবন তৈরি করছে পান্ডব দাস । ভবন নির্মাণ তৈরিতে গ্রামবাসী বাধা দিলে গ্রামবাসীকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগকারীরা জানান।

পরে গ্রামবাসীর পক্ষে রাখাল চন্দ্র দাস গং বাদী হয়ে ভূমিখেকো পান্ডব দাসের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখল মুক্ত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সার্ভেয়ার, তহশীলদার, অফিস সহকারী জায়গা উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে আসেন এবং অভিযোগের সত্যতা পান।

পরে সরকারের খাস জায়গা চিহ্নিত করে পাকা ভবন ও পুরনো দোকান ভেঙ্গে ফেলার জন্য ১৫ দিনের সময় বেধে দেন পান্ডব দাস কে। সময়সীমা অতিক্রম হলে উচ্ছেদ অভিযান করা হবে বলে পান্ডব দাসকে জানিয়ে দেন তারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মুক্তাদির হোসেন বলেন, বন্দোবস্ত না নিয়ে সরকারি জায়গা দখল করা হয়েছিল। আমরা অভিযোগ পাওয়ার পর দখলদারের কাছ থেকে সরকারি জায়গা উদ্ধার করে লাল নিশান টানিয়ে দিয়ে আসি। এবং ১৫ দিনের মধ্যে সকল স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে । এলাকাবাসী বলছেন, বহুদিন পরে হলেও সরকারের নজরে এসেছে বিষয় টি । তারা বলছেন সরকারি জায়গায় কি করে, কার ক্ষমতায় ভাবন নির্মাণ করছে সেই বিষয় জানসাধারণ জানতে চায় এবং এই মহৎ উদ্যোগের জন্য প্রশাসনের প্রশংসা করেন এলাকাবাসী ।