ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

সুনামগঞ্জে ২১ ইউনিয়নে নৌকার ৭ প্রার্থী বিজয়ী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ ২০৩ বার পড়া হয়েছে

চতুর্থ ধাপে ইউপি ভোট: আ.লীগ ৩৯৬, স্বতন্ত্র ৩৯০ প্রার্থী জয়ী

দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ষ্টাফ রিপোর্টঃ ৪র্থ ধাপ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের দিরাই, জগন্নাথপুর ও বিশ্বম্ভপুর ৩ উপজেলার ২১ ইউনিয়ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৭ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
এছাড়াও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ৬ জন, বিএনপির ৩ জন, জাতীয় পার্টির ১ জন এবং বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র ৪ প্রার্থী। জগন্নাথপুর উপজেলার ৭ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ৩ জন, বিএনপি ১ জন, স্বতন্ত্র ১ জন এবং বিদ্রোহী ২ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ৫ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামীলীগ মনোনীত ১ জন, বিএনপি ১ জন, জাতীয় পার্টি মনোনীত ১ জন, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ২ জন বিজয়ী হয়েছেন। দিরাই উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত ৩ জন, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ২ জন, বিএনপির ১ জন এবং স্বতন্ত্র ৩ জন বিজয়ী হয়েছেন।
চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে জেলার তিন উপজেলার ২১ ইউনিয়নে ১২৭ চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। রবিবার শান্তিপূর্ণভাবে জেলার তিন উপজেলার ২১ ইউনিয়নে ২১০টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ করা হয়।
জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নে বিএনপি নেতা রফিক মিয়া (আনারস), পাটলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আঙ্গুর মিয়া, চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী (আনারস) শহীদুল ইসলাম বকুল, রানীগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সদরুল ইসলাম, সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল হাসান, আশারকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী (মোটরসাইকেল) আয়ুব খান, পাইলগাঁও ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী মখলিছ মিয়া (ঘোড়া) বিজয়ী হয়েছেন।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল আহমদ, ধনপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মিলন মিয়া, সলুকাবাদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান নুরে আলম সিদ্দিকী, দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি, সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছবাব মিয়া, ফতেপুর ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির মো. ফারুক আহমদ বিজয়ী হয়েছেন।
দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শৈলেন চন্দ্র দাস, ভাটিপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মিফতাহ চৌধুরী (মোটর সাইকেল), রাজানগর ইউনিয়নে যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম (চশমা), চরনারচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী পরিতোষ রায় (আনারস), সরমঙ্গল ইউনিয়নে বিএনপি নেতা মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (চশমা), করিমপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী লিটন চন্দ্র দাস, জগদল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হুমায়ুন রশীদ লাভলু, তাড়ল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র আলী আহমদ (চশমা), কুলঞ্জ ইউনিয়নে যুবলীগ নেতা একরার হোসেন (মোটর সাইকেল) বিজয়ী হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, জগন্নাথপুর উপজেলার জগন্নাথপুরের ৭ ইউনিয়নে ৩৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, সংরক্ষিত নারী প্রার্থী ৮৯ জন এবং সাধারণ সদস্য (মেম্বার) পদে ২৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
পাটলী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার খালিক হাসান খালেদ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতা সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছে। ৭৭টি কেন্দ্রে বুথের সংখ্যা ছিল ৩৭৫টি। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে একজন করে মোট ৭৭ জন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৩৭৫ জন এবং ৭৭০ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করেন। ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২ জন।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ৫ ইউনিয়নে বিশ^ম্ভরপুরের ৫ ইউনিয়নে ৩১ জন, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য আসনে ২৮৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ১০ হাজার ৮০৫ জন। ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৪৭টি। দিরাই উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫৯ জন, সংরক্ষিত নারী আসনে ১০৯ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৩৬১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ৮৬ টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ভোটাররা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সুনামগঞ্জে ২১ ইউনিয়নে নৌকার ৭ প্রার্থী বিজয়ী

আপডেট সময় : ০১:৩১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২১
ষ্টাফ রিপোর্টঃ ৪র্থ ধাপ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের দিরাই, জগন্নাথপুর ও বিশ্বম্ভপুর ৩ উপজেলার ২১ ইউনিয়ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৭ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
এছাড়াও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ৬ জন, বিএনপির ৩ জন, জাতীয় পার্টির ১ জন এবং বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র ৪ প্রার্থী। জগন্নাথপুর উপজেলার ৭ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ৩ জন, বিএনপি ১ জন, স্বতন্ত্র ১ জন এবং বিদ্রোহী ২ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ৫ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামীলীগ মনোনীত ১ জন, বিএনপি ১ জন, জাতীয় পার্টি মনোনীত ১ জন, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ২ জন বিজয়ী হয়েছেন। দিরাই উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত ৩ জন, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ২ জন, বিএনপির ১ জন এবং স্বতন্ত্র ৩ জন বিজয়ী হয়েছেন।
চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে জেলার তিন উপজেলার ২১ ইউনিয়নে ১২৭ চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। রবিবার শান্তিপূর্ণভাবে জেলার তিন উপজেলার ২১ ইউনিয়নে ২১০টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ করা হয়।
জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নে বিএনপি নেতা রফিক মিয়া (আনারস), পাটলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আঙ্গুর মিয়া, চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী (আনারস) শহীদুল ইসলাম বকুল, রানীগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সদরুল ইসলাম, সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল হাসান, আশারকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী (মোটরসাইকেল) আয়ুব খান, পাইলগাঁও ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী মখলিছ মিয়া (ঘোড়া) বিজয়ী হয়েছেন।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল আহমদ, ধনপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মিলন মিয়া, সলুকাবাদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান নুরে আলম সিদ্দিকী, দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি, সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছবাব মিয়া, ফতেপুর ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির মো. ফারুক আহমদ বিজয়ী হয়েছেন।
দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শৈলেন চন্দ্র দাস, ভাটিপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মিফতাহ চৌধুরী (মোটর সাইকেল), রাজানগর ইউনিয়নে যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম (চশমা), চরনারচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী পরিতোষ রায় (আনারস), সরমঙ্গল ইউনিয়নে বিএনপি নেতা মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (চশমা), করিমপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী লিটন চন্দ্র দাস, জগদল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হুমায়ুন রশীদ লাভলু, তাড়ল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র আলী আহমদ (চশমা), কুলঞ্জ ইউনিয়নে যুবলীগ নেতা একরার হোসেন (মোটর সাইকেল) বিজয়ী হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, জগন্নাথপুর উপজেলার জগন্নাথপুরের ৭ ইউনিয়নে ৩৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, সংরক্ষিত নারী প্রার্থী ৮৯ জন এবং সাধারণ সদস্য (মেম্বার) পদে ২৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
পাটলী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার খালিক হাসান খালেদ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতা সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছে। ৭৭টি কেন্দ্রে বুথের সংখ্যা ছিল ৩৭৫টি। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে একজন করে মোট ৭৭ জন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৩৭৫ জন এবং ৭৭০ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করেন। ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২ জন।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ৫ ইউনিয়নে বিশ^ম্ভরপুরের ৫ ইউনিয়নে ৩১ জন, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য আসনে ২৮৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ১০ হাজার ৮০৫ জন। ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৪৭টি। দিরাই উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫৯ জন, সংরক্ষিত নারী আসনে ১০৯ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৩৬১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ৮৬ টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ভোটাররা।