ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

পাহাড় ঘেঁষা টোয়াক নীলাদ্রি লেকের সৌন্দর্য পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ২৪৩ বার পড়া হয়েছে
দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজারঃ নীল জলরাশি, সবুজ পাহাড় আর সাদা মেঘের মিলনমেলা মানেই টোয়াক নীলাদ্রি লেক । পাহাড় ঘেঁষা টোয়াক নীলাদ্রি লেকের সৌন্দর্য পর্যটকদের প্রতিনিয়ত হাতছানি দিয়ে ডাকছে। কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার ঈদগডের পার্শ্ববর্তী বাইশারী ইউনিয়নের কাগজি খোলা এলাকায় বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে এ টোয়াক নীলাদ্রি লেক।

কক্সবাজারের রামু উপজেলা ঈদগড় ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের দুইপাশে পাহাড়ের বুক চিরে যেতে হয় এ টোয়াক নীলাদ্রি লেকে ।

 

অনেকেই জানান, এই লেকে পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং স্থানীয়দের আন্তরিকতা পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করবে। গত বছর ২৪ ডিসেম্বর পর্যটন সচিব মোকান্মেল হোসেন এ লেক আনুষ্ঠানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন করেন।

প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে পাহাড় ও রাবার বাগানের আঁকা বাঁকা ও উঁচু নিঁচু পাহাড়ী পথ পেরিয়ে যেতে হয় এ টোয়াক নীলাদ্রি লেকে ।

পাহাড় ও নদীর অপরূপ সান্নিধ্য এখানে। নদীতে নৌকা ভ্রমণে পাহাড় নদীর মিতালি । চারপাশে সবুজের ঘেরা পাহাড়। দৃষ্টিনন্দন এই জায়গাটি দেখলে মনে হয় যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হাতছানি দিয়ে ডাকছে। কক্সবাজারের ভেতরে লুকিয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন রূপ–লাবণ্যে ভরা এক লীলাভূমি টোয়াক নীলাদ্রি লেক। বেসরকারি উদ্যোগে ২০ একর জমির উপর প্রাকৃতিক লেকটি গড়ে তোলা হয়েছে।

কক্সবাজারের পর্যটন উদ্যোক্তা ও কর্মউদ্যোমী
তোফায়েল আহম্মেদ, তৌহিদুল ইসলাম তোহা, হোসাইন আহমদ বাহাদুরসহ একদল মানুষ ট্যুরিজম স্পট টোয়াক নীলাদ্রি লেকের সৌন্দর্য বর্ধনে কাজ করে যাচ্ছে।

 

এখানে একবার যাদের পা পড়েছে, তাদের অনেকের মুখে দার্জিলিংয়ের স্বাদ এখানেই মিটে। এখন বিপুল পর্যটক টানছে অচেনা এই দার্জিলিং। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা লীলাভূমি বাংলাদেশে দ্বিতীয়টি নেই। যেখানে মেঘালয়ের মতো পাহাড়–পর্বত, সবুজে ঘেরা শুভ্র মেঘের গালিচা মুহূর্তেই শরীর–মন সতেজ করে দেয়।

লেকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই স্থানীয়সহ দূর-দূরান্তের পর্যটকরা আসেন। বর্তমানে নীলাদ্রি লেক প্রকৃতি প্রেমীদের মাঝে আকর্ষনীয় এক স্পট।

 

চারদিকে পাহাড়। পাহাড়ের মোহনায় জলধারা হয়েছে সৃষ্টি। টোয়াক নীলাদ্রি লেকের আশপাশে খুবই দৃষ্টিনন্দন এক দৃশ্য। পাহাড়ের ওপর যেন সাদা মেঘের ভেলা। লেকের জলে ভেসে উঠছে পাহাড়শুদ্ধ সেই মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি। পর্যটকদের আকর্ষণ হয়ে উঠছে এই টোয়াক “নীলাদ্রি লেক। লেকে চলছে ছোট ছোট কাঠে ডিঙ্গি নৌকা, প্যাডেল নৌকা।

 

লেকের জল আর পাহাড় ঘেরা নয়নাভিরাম দৃশ্য যে কাউকেই সহজে কাছে টানে। ক্ষণে ক্ষণে বয়েই যায় দক্ষিনার হিমেল বাতাস। ছোট-বড় আর মাঝারী পাহাড়-টিলা ও গিরিপথ নিয়ে গড়ে উঠা প্রকৃতির এক অপরূপ সৃষ্টি লেকটি। মায়ার জালে বন্দি সবখানে। লেকটিতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে। সব মানুষের উচ্ছ্বাস যেন সরগরম করে তোলে লেক প্রাঙ্গনে।
লেকে রয়েছে কিটসজোন।অসাধারণ এক পিকনিক স্পট।

 

পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরই অবকাশ রাত্রি যাপনে ইকো টুরিজম গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে এখানে। টোয়াক নীলাদ্রি লেকের চেয়ারম্যান ও বে-অফ বেঙ্গল ট্যুরিজমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, আধিবাসী জনগোষ্ঠী ত্রিপুরা, মুরুং, তংচঙ্গাসহ স্থানীয়দের ট্যুরিজমে সম্পৃক্ত করে তাদেরকে তাঁত শিল্পের উপর প্রশিক্ষনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে করে একটি অঞ্চলের পরিবর্তন হবে। অধিবাসীদের জীবন মান উন্নয়নে ভুমিকা রাখবে।

টোয়াক নীলাদ্রি লেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোহিদুল ইসলাম তোহা বলেন, চারপাশেই পাহাড়ের নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য্য বিমোহিত করে পর্যটকদের। বনজ, ফলদ আর ভেষজ বৃক্ষরাজির সমারোহ। এটি প্রকৃতিপ্রেমীদের মাঝে বিনোদনের নতুন আরেক খোরাক। লেকটিকে ঘিরে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাও রয়েছে।

তিনি বলেন, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মান উন্নয়নের মাধ্যমে এই অঞ্চলটি পরিবর্তন আনার চেস্টা চলছে। এছাড়াও
স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করেই ট্যুরিজমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

কক্সবাজার থেকে ভ্রমণে যাওয়া জাফর আলম, আনোয়ারসহ অনেকে জানান, অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই টোয়াক নিলাদ্রী লেক । এখানে এসে খুবই ভালো লাগলো। তারা বলেন, ‘কক্সবাজারের মধ্যে এত সুন্দর জায়গা আছে কল্পনা করতে পারিনি। অনেক ভালো লেগেছে আমাদের।

যদি না আসতাম, হয়তো জীবনে এত সৌন্দর্য দেখার সৌভাগ্য কখনো হতো না। সবমিলিয়ে অসাধারণ একটি জায়গা টোয়াক নীলাদ্রি লেক পর্যটন স্পট।’
ভ্রমণপিপাসু অনেকেই জানান,এই লেকে পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং স্থানীয়দের আন্তরিকতা পর্যটন শিল্পকে আরো বিকশিত করবে।

সকাল সাতটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত লেকে নদীভ্রমণ সবার জন্য উন্মুক্ত । নতুন হওয়ায় এখনো তেমন গোছানো পর্যটন বান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়নি। তবে পর্যটনের উন্নয়নে কাজ চলছে বেশ। লেকের পাশে টয়লেট ও চেঞ্জিং রুম গড়ে তোলা হচ্ছে।

প্রতিদিনই হাজারো পর্যটক ভিড় জমছে এই নীলাদ্রি লেকে। ঢাকা বা দেশের অন্য যে কোন জায়গা থেকে সড়ক পথে গাড়ি যোগে এসে ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে। বাসস্ট্যান্ড থেকে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়ক হয়ে সিএনজি বা চান্দের গাড়ী (জিপ) রিজার্ভ ভাড়া করে সরাসরি এই লেকের সৌন্দর্য দর্শনে সহজে যাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পাহাড় ঘেঁষা টোয়াক নীলাদ্রি লেকের সৌন্দর্য পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজারঃ নীল জলরাশি, সবুজ পাহাড় আর সাদা মেঘের মিলনমেলা মানেই টোয়াক নীলাদ্রি লেক । পাহাড় ঘেঁষা টোয়াক নীলাদ্রি লেকের সৌন্দর্য পর্যটকদের প্রতিনিয়ত হাতছানি দিয়ে ডাকছে। কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার ঈদগডের পার্শ্ববর্তী বাইশারী ইউনিয়নের কাগজি খোলা এলাকায় বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে এ টোয়াক নীলাদ্রি লেক।

কক্সবাজারের রামু উপজেলা ঈদগড় ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের দুইপাশে পাহাড়ের বুক চিরে যেতে হয় এ টোয়াক নীলাদ্রি লেকে ।

 

অনেকেই জানান, এই লেকে পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং স্থানীয়দের আন্তরিকতা পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করবে। গত বছর ২৪ ডিসেম্বর পর্যটন সচিব মোকান্মেল হোসেন এ লেক আনুষ্ঠানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন করেন।

প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে পাহাড় ও রাবার বাগানের আঁকা বাঁকা ও উঁচু নিঁচু পাহাড়ী পথ পেরিয়ে যেতে হয় এ টোয়াক নীলাদ্রি লেকে ।

পাহাড় ও নদীর অপরূপ সান্নিধ্য এখানে। নদীতে নৌকা ভ্রমণে পাহাড় নদীর মিতালি । চারপাশে সবুজের ঘেরা পাহাড়। দৃষ্টিনন্দন এই জায়গাটি দেখলে মনে হয় যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হাতছানি দিয়ে ডাকছে। কক্সবাজারের ভেতরে লুকিয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন রূপ–লাবণ্যে ভরা এক লীলাভূমি টোয়াক নীলাদ্রি লেক। বেসরকারি উদ্যোগে ২০ একর জমির উপর প্রাকৃতিক লেকটি গড়ে তোলা হয়েছে।

কক্সবাজারের পর্যটন উদ্যোক্তা ও কর্মউদ্যোমী
তোফায়েল আহম্মেদ, তৌহিদুল ইসলাম তোহা, হোসাইন আহমদ বাহাদুরসহ একদল মানুষ ট্যুরিজম স্পট টোয়াক নীলাদ্রি লেকের সৌন্দর্য বর্ধনে কাজ করে যাচ্ছে।

 

এখানে একবার যাদের পা পড়েছে, তাদের অনেকের মুখে দার্জিলিংয়ের স্বাদ এখানেই মিটে। এখন বিপুল পর্যটক টানছে অচেনা এই দার্জিলিং। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা লীলাভূমি বাংলাদেশে দ্বিতীয়টি নেই। যেখানে মেঘালয়ের মতো পাহাড়–পর্বত, সবুজে ঘেরা শুভ্র মেঘের গালিচা মুহূর্তেই শরীর–মন সতেজ করে দেয়।

লেকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই স্থানীয়সহ দূর-দূরান্তের পর্যটকরা আসেন। বর্তমানে নীলাদ্রি লেক প্রকৃতি প্রেমীদের মাঝে আকর্ষনীয় এক স্পট।

 

চারদিকে পাহাড়। পাহাড়ের মোহনায় জলধারা হয়েছে সৃষ্টি। টোয়াক নীলাদ্রি লেকের আশপাশে খুবই দৃষ্টিনন্দন এক দৃশ্য। পাহাড়ের ওপর যেন সাদা মেঘের ভেলা। লেকের জলে ভেসে উঠছে পাহাড়শুদ্ধ সেই মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি। পর্যটকদের আকর্ষণ হয়ে উঠছে এই টোয়াক “নীলাদ্রি লেক। লেকে চলছে ছোট ছোট কাঠে ডিঙ্গি নৌকা, প্যাডেল নৌকা।

 

লেকের জল আর পাহাড় ঘেরা নয়নাভিরাম দৃশ্য যে কাউকেই সহজে কাছে টানে। ক্ষণে ক্ষণে বয়েই যায় দক্ষিনার হিমেল বাতাস। ছোট-বড় আর মাঝারী পাহাড়-টিলা ও গিরিপথ নিয়ে গড়ে উঠা প্রকৃতির এক অপরূপ সৃষ্টি লেকটি। মায়ার জালে বন্দি সবখানে। লেকটিতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে। সব মানুষের উচ্ছ্বাস যেন সরগরম করে তোলে লেক প্রাঙ্গনে।
লেকে রয়েছে কিটসজোন।অসাধারণ এক পিকনিক স্পট।

 

পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরই অবকাশ রাত্রি যাপনে ইকো টুরিজম গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে এখানে। টোয়াক নীলাদ্রি লেকের চেয়ারম্যান ও বে-অফ বেঙ্গল ট্যুরিজমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, আধিবাসী জনগোষ্ঠী ত্রিপুরা, মুরুং, তংচঙ্গাসহ স্থানীয়দের ট্যুরিজমে সম্পৃক্ত করে তাদেরকে তাঁত শিল্পের উপর প্রশিক্ষনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে করে একটি অঞ্চলের পরিবর্তন হবে। অধিবাসীদের জীবন মান উন্নয়নে ভুমিকা রাখবে।

টোয়াক নীলাদ্রি লেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোহিদুল ইসলাম তোহা বলেন, চারপাশেই পাহাড়ের নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য্য বিমোহিত করে পর্যটকদের। বনজ, ফলদ আর ভেষজ বৃক্ষরাজির সমারোহ। এটি প্রকৃতিপ্রেমীদের মাঝে বিনোদনের নতুন আরেক খোরাক। লেকটিকে ঘিরে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাও রয়েছে।

তিনি বলেন, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মান উন্নয়নের মাধ্যমে এই অঞ্চলটি পরিবর্তন আনার চেস্টা চলছে। এছাড়াও
স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করেই ট্যুরিজমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

কক্সবাজার থেকে ভ্রমণে যাওয়া জাফর আলম, আনোয়ারসহ অনেকে জানান, অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই টোয়াক নিলাদ্রী লেক । এখানে এসে খুবই ভালো লাগলো। তারা বলেন, ‘কক্সবাজারের মধ্যে এত সুন্দর জায়গা আছে কল্পনা করতে পারিনি। অনেক ভালো লেগেছে আমাদের।

যদি না আসতাম, হয়তো জীবনে এত সৌন্দর্য দেখার সৌভাগ্য কখনো হতো না। সবমিলিয়ে অসাধারণ একটি জায়গা টোয়াক নীলাদ্রি লেক পর্যটন স্পট।’
ভ্রমণপিপাসু অনেকেই জানান,এই লেকে পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং স্থানীয়দের আন্তরিকতা পর্যটন শিল্পকে আরো বিকশিত করবে।

সকাল সাতটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত লেকে নদীভ্রমণ সবার জন্য উন্মুক্ত । নতুন হওয়ায় এখনো তেমন গোছানো পর্যটন বান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়নি। তবে পর্যটনের উন্নয়নে কাজ চলছে বেশ। লেকের পাশে টয়লেট ও চেঞ্জিং রুম গড়ে তোলা হচ্ছে।

প্রতিদিনই হাজারো পর্যটক ভিড় জমছে এই নীলাদ্রি লেকে। ঢাকা বা দেশের অন্য যে কোন জায়গা থেকে সড়ক পথে গাড়ি যোগে এসে ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে। বাসস্ট্যান্ড থেকে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়ক হয়ে সিএনজি বা চান্দের গাড়ী (জিপ) রিজার্ভ ভাড়া করে সরাসরি এই লেকের সৌন্দর্য দর্শনে সহজে যাওয়া যায়।