ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

৬ কংগ্রেসম্যানের চিঠি, জানে না মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ডেক্স রিপোর্ট।
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে পদক্ষেপ চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের কাছে চিঠি দিয়েছেন ছয় কংগ্রেসম্যান। তবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার জানিয়েছেন, এ নিয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

মার্কিন ওই মুখপাত্র বলেন, ছয় কংগ্রেসম্যানের ওই চিঠির বিষয়ে কিছুই জানে না মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আর এ ধরনের চিঠির সুরাহা গোপনীয়তার সঙ্গেই করা হয় বলেও জানান তিনি।

ম্যাথিউ আরও বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের সব দেশেই সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

সম্প্রতি বাংলাদেশের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য পদক্ষেপ চেয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে চিঠি দিয়েছেন ছয় কংগ্রেসম্যান বলে সংবাদ প্রকাশ পায় গণ মাধ্যমগুলোতে। সেখানে জানানো হয় চিঠি দেওয়া ওই ছয় জন সবাই ক্ষমতাসীন দল ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য। আর এ তথ্য টুইটে জানান কংগ্রেস সদস্য উইলিয়াম আর কিটিং।

ওই চিঠিতে নির্বাচন এগিয়ে আসায়- মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগও জানান তারা। এছাড়া সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ আছে কি-না, পররাষ্ট্র দপ্তর কিসের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করবে, তা নিয়েও জানতে চেয়েছেন ৬ কংগ্রেসম্যান।

পাশাপাশি আহ্বান জানানো হয়েছে- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জবাবদিহি নিশ্চিতের। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তাও জানতে চেয়েছেন তারা।

তবে ওই চিঠির প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন ১৯৩ প্রবাসী বাংলাদেশি। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে সংখ্যালঘু নির্যাতনের যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এছাড়া ২০০১ সালের নির্বাচনের পর হিন্দুদের ওপর চালানো সহিংসতার কথা না থাকায় প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালেই থেকে যাবে বলেও মত তাদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

৬ কংগ্রেসম্যানের চিঠি, জানে না মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় : ০৫:০৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩

বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে পদক্ষেপ চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের কাছে চিঠি দিয়েছেন ছয় কংগ্রেসম্যান। তবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার জানিয়েছেন, এ নিয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

মার্কিন ওই মুখপাত্র বলেন, ছয় কংগ্রেসম্যানের ওই চিঠির বিষয়ে কিছুই জানে না মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আর এ ধরনের চিঠির সুরাহা গোপনীয়তার সঙ্গেই করা হয় বলেও জানান তিনি।

ম্যাথিউ আরও বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের সব দেশেই সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

সম্প্রতি বাংলাদেশের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য পদক্ষেপ চেয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে চিঠি দিয়েছেন ছয় কংগ্রেসম্যান বলে সংবাদ প্রকাশ পায় গণ মাধ্যমগুলোতে। সেখানে জানানো হয় চিঠি দেওয়া ওই ছয় জন সবাই ক্ষমতাসীন দল ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য। আর এ তথ্য টুইটে জানান কংগ্রেস সদস্য উইলিয়াম আর কিটিং।

ওই চিঠিতে নির্বাচন এগিয়ে আসায়- মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগও জানান তারা। এছাড়া সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ আছে কি-না, পররাষ্ট্র দপ্তর কিসের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করবে, তা নিয়েও জানতে চেয়েছেন ৬ কংগ্রেসম্যান।

পাশাপাশি আহ্বান জানানো হয়েছে- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জবাবদিহি নিশ্চিতের। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তাও জানতে চেয়েছেন তারা।

তবে ওই চিঠির প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন ১৯৩ প্রবাসী বাংলাদেশি। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে সংখ্যালঘু নির্যাতনের যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এছাড়া ২০০১ সালের নির্বাচনের পর হিন্দুদের ওপর চালানো সহিংসতার কথা না থাকায় প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালেই থেকে যাবে বলেও মত তাদের।