ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

স্বাধীনতার মাসে মিডিয়া ও ইয়ুথ ডেলিগেশনের নামে পাকিস্তানের অপতৎপরতা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ১৯০ বার পড়া হয়েছে
দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তরিকুল ইসলাম লাভলু, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সরকারকে বিব্রত করতে নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে ঢাকায় পাকিস্তান হাই কমিশন। এবার স্বাধীনতার মাস মার্চে ‘মিডিয়া ডেলিগেশন’ এবং ইয়ুথ ডেলিগেশন ইসলামাবাদ পাঠাবার পায়তারা করছে ঢাকায় পাকিস্তান মিশন।

ইতিমধ্যে অনেক মিডিয়া হাউস-এ যোগাযোগ শুরু করেছে; কেউ কেউ পাকিস্তান হাই কমিশন এর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছে। অনেকে স্বাধীনতার মাসে এর উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে?

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করেছে। ২,০০,০০০ থেকে ৪,০০,০০০ বাঙালি নারীকে পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ করে, তারপরও থেমে থাকে নি। কিন্তু ইসলামাবাদ কখনো পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর নৃশংসতার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চায় নি।

বাংলাদেশ সরকার যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছিলো, তখন পাকিস্তান বিবৃতি দিয়ে তার বিরোধিতা করেছিল; যা আসলে অন্য দেশের অভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ।

এছাড়াও পাকিস্তান বিভিন্ন সময় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকারকে বিব্রত করে আসছিলো। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি নেটওয়ার্ক ও জাল মুদ্রার ব্যবসাতে নেপথ্যে থেকে পৃষ্ঠপোষকতা করার অভিযোগ রয়েছে পাকিস্তান হাই কমিশন-এর বিরুদ্ধে।

সেজন্য বাংলাদেশ সরকারের চাপে ২০১৫ সালে পাকিস্তান দূতাবাসের এক কূটনীতিককেও তুলে নিতে বাধ্য হয়েছিল পাকিস্তান সরকার।

এদিকে স্বাধীনতার মাসে মিডিয়া ডেলিগেশন নেবার পাকিস্তানী পরিকল্পনায় সরকারের অনেক মহলে আলোচনা হচ্ছে। কেউ কেউ স্বাধীনতার মাসে এ ধরনের তৎপরতাকে সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের মূলনীতির পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছেন।

উল্লেখ্য, গতবছর নভেম্বরে পাকিস্তান ক্রিকেটদল ঢাকায় খেলতে এসে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই মিরপুর স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের পতাকা উড়িয়ে অনুশীলন করেছিল।

আইসিসির নিয়মানুসারে কোনো ইভেন্ট কিংবা দ্বিপাক্ষিক সিরিজ চলাকালীন দুই দেশের পতাকা উড়তেই পারে। তবে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের অনুশীলনেই সেটা কেন উড়াতে হবে, তা নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়! প্রতিবাদের মুখে একপর্যায়ে পতাকাগুলা সরিয়ে ফেলা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

স্বাধীনতার মাসে মিডিয়া ও ইয়ুথ ডেলিগেশনের নামে পাকিস্তানের অপতৎপরতা!

আপডেট সময় : ১২:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২২

তরিকুল ইসলাম লাভলু, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সরকারকে বিব্রত করতে নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে ঢাকায় পাকিস্তান হাই কমিশন। এবার স্বাধীনতার মাস মার্চে ‘মিডিয়া ডেলিগেশন’ এবং ইয়ুথ ডেলিগেশন ইসলামাবাদ পাঠাবার পায়তারা করছে ঢাকায় পাকিস্তান মিশন।

ইতিমধ্যে অনেক মিডিয়া হাউস-এ যোগাযোগ শুরু করেছে; কেউ কেউ পাকিস্তান হাই কমিশন এর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছে। অনেকে স্বাধীনতার মাসে এর উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে?

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করেছে। ২,০০,০০০ থেকে ৪,০০,০০০ বাঙালি নারীকে পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ করে, তারপরও থেমে থাকে নি। কিন্তু ইসলামাবাদ কখনো পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর নৃশংসতার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চায় নি।

বাংলাদেশ সরকার যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছিলো, তখন পাকিস্তান বিবৃতি দিয়ে তার বিরোধিতা করেছিল; যা আসলে অন্য দেশের অভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ।

এছাড়াও পাকিস্তান বিভিন্ন সময় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকারকে বিব্রত করে আসছিলো। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি নেটওয়ার্ক ও জাল মুদ্রার ব্যবসাতে নেপথ্যে থেকে পৃষ্ঠপোষকতা করার অভিযোগ রয়েছে পাকিস্তান হাই কমিশন-এর বিরুদ্ধে।

সেজন্য বাংলাদেশ সরকারের চাপে ২০১৫ সালে পাকিস্তান দূতাবাসের এক কূটনীতিককেও তুলে নিতে বাধ্য হয়েছিল পাকিস্তান সরকার।

এদিকে স্বাধীনতার মাসে মিডিয়া ডেলিগেশন নেবার পাকিস্তানী পরিকল্পনায় সরকারের অনেক মহলে আলোচনা হচ্ছে। কেউ কেউ স্বাধীনতার মাসে এ ধরনের তৎপরতাকে সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের মূলনীতির পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছেন।

উল্লেখ্য, গতবছর নভেম্বরে পাকিস্তান ক্রিকেটদল ঢাকায় খেলতে এসে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই মিরপুর স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের পতাকা উড়িয়ে অনুশীলন করেছিল।

আইসিসির নিয়মানুসারে কোনো ইভেন্ট কিংবা দ্বিপাক্ষিক সিরিজ চলাকালীন দুই দেশের পতাকা উড়তেই পারে। তবে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের অনুশীলনেই সেটা কেন উড়াতে হবে, তা নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়! প্রতিবাদের মুখে একপর্যায়ে পতাকাগুলা সরিয়ে ফেলা হয়।