ঢাকা ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২২ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিউজ ডেস্কঃ গণভবনে শনিবার বিকেল সোয়া চারটায় চাবাগান মালিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক শুরু হয়। বৃহৎ ১৩টি বাগানের মালিকরা বৈঠকে অংশ নেন, প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শাহ আলম। আড়াই ঘণ্টার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি বলেন, চা শিল্পের প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশেষ ভালোবাসা ছিলো। প্রধানমন্ত্রীও এই সেক্টরের ভালোমন্দের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখেন।

মজুরির পাশাপাশি অন্যান্য ভাতাও বাড়ানো হবে। মজুরি ও ভাতা মিলিয়ে একজন শ্রমিক দিনে সাড়ে চারশ থেকে পাঁচশ টাকা পাবেন বলে আহমেদ কায়কাউস উল্লেখ করেন।

১২০ টাকার বদলে দৈনিক ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে গত ৯ আগস্ট আন্দোলন শুরু করেন সিলেট বিভাগের তিন জেলা সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের চা শ্রমিকরা। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয় চট্টগ্রাম। একসঙ্গে মাঠে নামেন ২৪১টি চা বাগানের শ্রমিকরা।

২২ আগস্ট চাবাগান মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ১৪৫ টাকা মজুরির প্রস্তাব করেন। চাশ্রমিকদের একাংশ এই প্রস্তাব মেনে নিলেও বেঁকে বসেন বেশিরভাগ শ্রমিক। তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। আর সংকট সমাধানের জন্য তারা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

চা শ্রমিকদের টানা ধর্মঘটে সারা দেশের বাগান থেকে চাপাতা উত্তোলন, কারখানায় প্রক্রিয়াজাত ও উৎপাদন বন্ধ থাকে। এতে স্থবির হয়ে পড়ে দেশের চা শিল্প।

গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, শনিবার চাবাগান মালিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন প্রধানমন্ত্রী। এ ঘোষণার পর আশাবাদী হয়ে ওঠেন শ্রমিকরা।

কর্মবিরতি প্রত্যাহার না করলেও তারা রাজপথের কর্মসূচী থেকে বিরত থাকেন। সবাই তাকিয়ে ছিলেন গণভবনের এই সভার দিকে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকৃত ১৭০ টাকা মজুরী মেনে নিয়েছে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন। ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিপেন পাল মুঠোফোনে আমাদের নতুন সময়কে বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি চা শ্রমিকদের ভোটার করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

তার কন্যা শেখ হাসিনা আজ প্রধানমন্ত্রী। তিনি যে মজুরি দেবেন আমরা তা মেনে নেবো। তিনি দেশের সকল চা শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার প্রতি সম্মান জানিয়ে রবিবার থেকে কাজে যোগ দেওয়ার আহবান জানান।

ইউনিয়নের মনু ধলাই ভ্যালির সভাপতি ধনা বাউরি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে স্বাগত জানাই। প্রধানমন্ত্রী আমাদের আপনজন। তার সিদ্ধান্ত মেনে আমরা রোববার কাজে দিতে সব শ্রমিককে আহ্বান জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:০৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২২

নিউজ ডেস্কঃ গণভবনে শনিবার বিকেল সোয়া চারটায় চাবাগান মালিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক শুরু হয়। বৃহৎ ১৩টি বাগানের মালিকরা বৈঠকে অংশ নেন, প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শাহ আলম। আড়াই ঘণ্টার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি বলেন, চা শিল্পের প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশেষ ভালোবাসা ছিলো। প্রধানমন্ত্রীও এই সেক্টরের ভালোমন্দের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখেন।

মজুরির পাশাপাশি অন্যান্য ভাতাও বাড়ানো হবে। মজুরি ও ভাতা মিলিয়ে একজন শ্রমিক দিনে সাড়ে চারশ থেকে পাঁচশ টাকা পাবেন বলে আহমেদ কায়কাউস উল্লেখ করেন।

১২০ টাকার বদলে দৈনিক ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে গত ৯ আগস্ট আন্দোলন শুরু করেন সিলেট বিভাগের তিন জেলা সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের চা শ্রমিকরা। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয় চট্টগ্রাম। একসঙ্গে মাঠে নামেন ২৪১টি চা বাগানের শ্রমিকরা।

২২ আগস্ট চাবাগান মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ১৪৫ টাকা মজুরির প্রস্তাব করেন। চাশ্রমিকদের একাংশ এই প্রস্তাব মেনে নিলেও বেঁকে বসেন বেশিরভাগ শ্রমিক। তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। আর সংকট সমাধানের জন্য তারা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

চা শ্রমিকদের টানা ধর্মঘটে সারা দেশের বাগান থেকে চাপাতা উত্তোলন, কারখানায় প্রক্রিয়াজাত ও উৎপাদন বন্ধ থাকে। এতে স্থবির হয়ে পড়ে দেশের চা শিল্প।

গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, শনিবার চাবাগান মালিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন প্রধানমন্ত্রী। এ ঘোষণার পর আশাবাদী হয়ে ওঠেন শ্রমিকরা।

কর্মবিরতি প্রত্যাহার না করলেও তারা রাজপথের কর্মসূচী থেকে বিরত থাকেন। সবাই তাকিয়ে ছিলেন গণভবনের এই সভার দিকে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকৃত ১৭০ টাকা মজুরী মেনে নিয়েছে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন। ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিপেন পাল মুঠোফোনে আমাদের নতুন সময়কে বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি চা শ্রমিকদের ভোটার করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

তার কন্যা শেখ হাসিনা আজ প্রধানমন্ত্রী। তিনি যে মজুরি দেবেন আমরা তা মেনে নেবো। তিনি দেশের সকল চা শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার প্রতি সম্মান জানিয়ে রবিবার থেকে কাজে যোগ দেওয়ার আহবান জানান।

ইউনিয়নের মনু ধলাই ভ্যালির সভাপতি ধনা বাউরি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে স্বাগত জানাই। প্রধানমন্ত্রী আমাদের আপনজন। তার সিদ্ধান্ত মেনে আমরা রোববার কাজে দিতে সব শ্রমিককে আহ্বান জানাচ্ছি।