ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

আবারও কোর্টের নির্দেশে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২১ ২৫০ বার পড়া হয়েছে

আবারও কোর্টের নির্দেশে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিত

দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,যুক্তরাষ্ট্রঃ আবারও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্থগিত হলো নিউইয়র্কের বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন। এ নির্বাচন হবার কথা ছিল ১৪ নভেম্বর রবিবার। সেভাবেই ৫টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

কিন্তু ১২ নভেম্বর শুক্রবার নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় থমকে গেল ২৭৫১০ ভোটের নির্বাচনের সকল কার্যক্রম। এর আগে ২০১৮ সালের ২১ অক্টোবরও একইভাবে স্থগিত হয়েছিল এই নির্বাচন। এরফলে নির্বাচন কমিশন, দুই প্যানেল এবং স্বতন্ত্র সহ ৩৮ প্রার্থীর সকলেই চরমভাবে ক্ষুব্ধ।

সুপ্রিম কোর্টে নিরু এস নীরা নামক এক প্রবাসীর দায়েরকৃত (ইনডেক্স নম্বর ৭২৪৫০২/২০২১) মামলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জামাল আহমেদ জনিসহ সকলকে ২৪ নভেম্বরের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থনমূলক জবাব দিতে বলা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে ২ ডিসেম্বর।

৪৬ বছরের পুরনো এই সংগঠনের এ নির্বাচনেই সবচেয়ে বেশি প্রবাসী নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে সদস্য/ভোটার হয়েছেন। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে সকলে সদস্য ফরম পূরণ করেন দু’বছর মেয়াদি কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে ভোট প্রদানের জন্য। নির্বাচন হবার কথা ছিল ২০১৮ সালের ২১ অক্টোবর রবিবার।

তার ঠিক দুদিন আগে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ এসেছিল। সে আবেদন করেছিলেন নির্বাচনে অংশগ্রহণের মনোনয়নপত্র বাতিলের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে দুই সদস্য প্রার্থী আলী আকবর বাপ্পী এবং জেড আর চৌধুরী। সেই মামলার জট খুলে গত বছরের মার্চে। এরপর করোনার অজুহাতে নির্বাচন ঝুলে ছিল।

অবশেষে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়। শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জামাল আহমেদ জনি, বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান এম আজিজ এবং ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার জানান, স্থগিতাদেশ নিয়ে সোসাইটির অ্যাটর্নির সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

তার পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হচ্ছে। স্থগিতাদেশের কপির সত্যতা নিয়েও প্রশ্নের উদ্রেক করায় সোসাইটির কর্মকর্তারা তাদের অ্যাটর্নির মাধ্যমে শনিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে খোঁজ নেবেন বলে উল্লেখ করেছেন সোসাইটির কর্মকর্তারা। শেষ মুহূর্তে আবারও নির্বাচন স্থগিত হওয়ার জন্যে কে বা কারা দায়ী তা চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে।

তারা বলেন, এতবড় একটি নির্বাচন, এত মানুষ সম্পৃক্ত আর কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করার পর শেষ মুহূর্তে তা থমকে দাঁড়ানো সত্যি দু:খজনক একটি ঘটনা। এটা কারোই কাম্য ছিল না। উল্লেখ্য, এ নির্বাচনে ‘নয়ন-আলী’ এবং ‘রব-রুহল’ প্যানেল ছাড়াও সভাপতি ও সেক্রেটারি পদে একজন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন।

সভাপতি পদে লড়ছিলেন কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন,রব মিয়া এবং জয়নুল আবেদীন এবং সেক্রেটারি পদেও তিন প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, রুহুল আমিন সিদ্দিকী এবং আব্দুল মোমেন সোহেল। স্থগিতাদেশের পর সভাপতি প্রার্থী কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, সেক্রেটারি প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ও রুহুল আমিন সিদ্দিকী বলেন, আমরা হতাশ।

আমরা ক্ষুব্ধ। এমন পরিস্থিতির জন্যে যারা দায়ী তাদেরকে চিহ্নিত করা দরকার এবং সামাজিকভাবে বর্জনেরও প্রয়োজন রয়েছে। নিউইয়র্কের বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন তিন বছর আগে ২০১৮ সালের ২১ অক্টোবরও একইভাবে স্থগিত হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আবারও কোর্টের নির্দেশে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিত

আপডেট সময় : ১০:২২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২১

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,যুক্তরাষ্ট্রঃ আবারও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্থগিত হলো নিউইয়র্কের বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন। এ নির্বাচন হবার কথা ছিল ১৪ নভেম্বর রবিবার। সেভাবেই ৫টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

কিন্তু ১২ নভেম্বর শুক্রবার নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় থমকে গেল ২৭৫১০ ভোটের নির্বাচনের সকল কার্যক্রম। এর আগে ২০১৮ সালের ২১ অক্টোবরও একইভাবে স্থগিত হয়েছিল এই নির্বাচন। এরফলে নির্বাচন কমিশন, দুই প্যানেল এবং স্বতন্ত্র সহ ৩৮ প্রার্থীর সকলেই চরমভাবে ক্ষুব্ধ।

সুপ্রিম কোর্টে নিরু এস নীরা নামক এক প্রবাসীর দায়েরকৃত (ইনডেক্স নম্বর ৭২৪৫০২/২০২১) মামলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জামাল আহমেদ জনিসহ সকলকে ২৪ নভেম্বরের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থনমূলক জবাব দিতে বলা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে ২ ডিসেম্বর।

৪৬ বছরের পুরনো এই সংগঠনের এ নির্বাচনেই সবচেয়ে বেশি প্রবাসী নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে সদস্য/ভোটার হয়েছেন। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে সকলে সদস্য ফরম পূরণ করেন দু’বছর মেয়াদি কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে ভোট প্রদানের জন্য। নির্বাচন হবার কথা ছিল ২০১৮ সালের ২১ অক্টোবর রবিবার।

তার ঠিক দুদিন আগে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ এসেছিল। সে আবেদন করেছিলেন নির্বাচনে অংশগ্রহণের মনোনয়নপত্র বাতিলের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে দুই সদস্য প্রার্থী আলী আকবর বাপ্পী এবং জেড আর চৌধুরী। সেই মামলার জট খুলে গত বছরের মার্চে। এরপর করোনার অজুহাতে নির্বাচন ঝুলে ছিল।

অবশেষে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়। শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জামাল আহমেদ জনি, বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান এম আজিজ এবং ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার জানান, স্থগিতাদেশ নিয়ে সোসাইটির অ্যাটর্নির সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

তার পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হচ্ছে। স্থগিতাদেশের কপির সত্যতা নিয়েও প্রশ্নের উদ্রেক করায় সোসাইটির কর্মকর্তারা তাদের অ্যাটর্নির মাধ্যমে শনিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে খোঁজ নেবেন বলে উল্লেখ করেছেন সোসাইটির কর্মকর্তারা। শেষ মুহূর্তে আবারও নির্বাচন স্থগিত হওয়ার জন্যে কে বা কারা দায়ী তা চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে।

তারা বলেন, এতবড় একটি নির্বাচন, এত মানুষ সম্পৃক্ত আর কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করার পর শেষ মুহূর্তে তা থমকে দাঁড়ানো সত্যি দু:খজনক একটি ঘটনা। এটা কারোই কাম্য ছিল না। উল্লেখ্য, এ নির্বাচনে ‘নয়ন-আলী’ এবং ‘রব-রুহল’ প্যানেল ছাড়াও সভাপতি ও সেক্রেটারি পদে একজন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন।

সভাপতি পদে লড়ছিলেন কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন,রব মিয়া এবং জয়নুল আবেদীন এবং সেক্রেটারি পদেও তিন প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, রুহুল আমিন সিদ্দিকী এবং আব্দুল মোমেন সোহেল। স্থগিতাদেশের পর সভাপতি প্রার্থী কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, সেক্রেটারি প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ও রুহুল আমিন সিদ্দিকী বলেন, আমরা হতাশ।

আমরা ক্ষুব্ধ। এমন পরিস্থিতির জন্যে যারা দায়ী তাদেরকে চিহ্নিত করা দরকার এবং সামাজিকভাবে বর্জনেরও প্রয়োজন রয়েছে। নিউইয়র্কের বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন তিন বছর আগে ২০১৮ সালের ২১ অক্টোবরও একইভাবে স্থগিত হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে।