ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ ::
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম আইএমও এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা’র আদর্শ বাস্তবায়ন তরুনদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে নড়াইল-১আসনে আবারো আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন বিএম কবিরুল হক মুক্তি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ফের নৌকার টিকিট পেলেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল পি‌রোজপু‌রে ফেজবু‌কে স্টাটার্স দি‌য়ে অনার্স পড়ুয়া ছা‌ত্রের আত্মহত্যা যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল > How to know HSC result নেত্রকোণা -২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক জনপ্রিয়তার শীর্ষে চাটখিলে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দিনব্যাপী গণসংযোগ করলেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ কুতুবউদ্দিন তালুকদার রুয়েল

কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে ধান কাটালেন ইউপি চেয়ারম্যান

সোহাগ হাসান,সিরাজগঞ্জ। 
  • আপডেট সময় : ০১:৩০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২২ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে
দেশের সময়২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে নিজের জমির ধান কাটানোর অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত কামারখন্দ উপজেলার ১নং ভদ্রঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান আব্দুল মালেক ও তার বড় ভাই আব্দুল খালেক শ্রমিক দিয়ে তাদের জমির কাটাচ্ছেন।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঐ ইউনিয়নে কর্মসৃজন কর্মসূচির রাস্তা মেরামত প্রকল্পে ১৫৭ জন শ্রমিক বরাদ্দ রয়েছে। প্রকল্পে ১০ জন পুরুষ শ্রমিক দিয়ে সকাল থেকে চেয়ারম্যান ও তার ভাই আব্দুল মালেক নিজেদের জমিতে ধান কাটাচ্ছেন।

কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক ফজল আলী, আব্দুল মান্নান, বেলাল সেখ, বলেন, গত রবিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রকল্প এলাকায় কাজ শেষে তাদের বাড়ি থেকে কাঁচি আনতে বলেন চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক। কাঁচি নিয়ে আজ সকালে এলে চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক আমাদের ধান কাটতে বলেন। চেয়ারম্যানের নির্দেশে আমরা ধান কাটছি।

অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক বলেন, যারা ধান কাটছে তারা কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক না। কর্মসৃজন প্রকল্পে তাদের নাম নেই। আমার এই শ্রমিক দিয়ে ধান কাটতে হবে না। আমাদের অনেক শ্রমিক আছে। এ বিষয়ে আপনাদের সাথে পরে কথা বলবো বলে তিনি আর কথা বলতে চাইনি।

কামারখন্দ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আজ সকালে ঐ এলাকায় পরিদর্শনের জন্য অফিস থেকে লোক পাঠানো হয়েছে। ধান কাটার জন্য কোনো শ্রমিক দেওয়া হয়নি। এমন কাজ করালে সব শ্রমিককে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত দেখানো হবে। তারা ওই দিনের কোনো টাকা পাবে না।

কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেরিনা সুলতানা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে ধান কাটালেন ইউপি চেয়ারম্যান

আপডেট সময় : ০১:৩০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২২

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে নিজের জমির ধান কাটানোর অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত কামারখন্দ উপজেলার ১নং ভদ্রঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান আব্দুল মালেক ও তার বড় ভাই আব্দুল খালেক শ্রমিক দিয়ে তাদের জমির কাটাচ্ছেন।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঐ ইউনিয়নে কর্মসৃজন কর্মসূচির রাস্তা মেরামত প্রকল্পে ১৫৭ জন শ্রমিক বরাদ্দ রয়েছে। প্রকল্পে ১০ জন পুরুষ শ্রমিক দিয়ে সকাল থেকে চেয়ারম্যান ও তার ভাই আব্দুল মালেক নিজেদের জমিতে ধান কাটাচ্ছেন।

কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক ফজল আলী, আব্দুল মান্নান, বেলাল সেখ, বলেন, গত রবিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রকল্প এলাকায় কাজ শেষে তাদের বাড়ি থেকে কাঁচি আনতে বলেন চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক। কাঁচি নিয়ে আজ সকালে এলে চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক আমাদের ধান কাটতে বলেন। চেয়ারম্যানের নির্দেশে আমরা ধান কাটছি।

অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক বলেন, যারা ধান কাটছে তারা কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক না। কর্মসৃজন প্রকল্পে তাদের নাম নেই। আমার এই শ্রমিক দিয়ে ধান কাটতে হবে না। আমাদের অনেক শ্রমিক আছে। এ বিষয়ে আপনাদের সাথে পরে কথা বলবো বলে তিনি আর কথা বলতে চাইনি।

কামারখন্দ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আজ সকালে ঐ এলাকায় পরিদর্শনের জন্য অফিস থেকে লোক পাঠানো হয়েছে। ধান কাটার জন্য কোনো শ্রমিক দেওয়া হয়নি। এমন কাজ করালে সব শ্রমিককে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত দেখানো হবে। তারা ওই দিনের কোনো টাকা পাবে না।

কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেরিনা সুলতানা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।